Press "Enter" to skip to content

“রাম মন্দির পরে হবে, আগে পাকিস্থানকে ঠুকে দিন”- প্রধানমন্ত্রী মোদীকে আর্জি জানালো দেশের সাধু সন্তরা।

পুলবামা হামলা নিয়ে দেশের মানুষের আক্রোশ লাগাতার বেড়েই চলেছে। দেশের প্রত্যেক গ্রাম থেকে শহর সমস্থ স্থানে জনতা পাকিস্থানের বিরুদ্ধে ধিক্কার মিছিল চালাচ্ছে। একইসাথে ভারতের রাষ্ট্রবাদীরা দেশের বিরুদ্ধে কথা বলা দেশদ্রোহীদের খুঁজে খুঁজে শাস্তি দিচ্ছে। জিহাদের নামে ইসলামিক পাকিস্থান যা শুরু করেছে তার বদলা নিতে একজোট হয়েছে দেশের জনগণ। শঙ্খকরাচার্য স্বরূপানন্দ সরস্বতী রাম মন্দির নির্মাণের উদ্যেশে যে যাত্রা শুরু করার কথা ঘোষণা করেছিলেন তা স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে।

উনি বলেছেন রাম মন্দির নির্মাণের ইস্যু রাষ্ট্রীয় ইস্যু থেকে মনযোগ সরিয়ে দিতে পারে। তাই এই পরিস্থিতিতে আগে দেশের আবেগকে গুরুত্ব দিয়ে পাকিস্থানকে সাজা দিতে হবে। উনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উদ্যেশে বলেছেন দরকার পড়লে রাম মন্দির ইস্যু আটকে দিন, তবে সবার আগে পাকিস্থানকে ঠুকে দিন।

কুম্ভনগরী প্রয়াগরাজে ধর্ম সাংসদের সভা থেকে ঘোষণা করা হয়েছিল যে ২১ শে ফেব্রুয়ারি রাম মন্দিরের শিল্যান্স করার জন্য সন্তরা একত্র হয়ে অযোধ্যার উদ্যেশে রওনা হবেন। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিকে লক্ষ করে যোগী আদিত্যনাথ ও আখড়া পরিষদ শিল্যান্স যাত্রা স্থগিত করার জন্য সন্তদের কাছে আবেদন করেছিলেন। শঙ্খকরাচার্য এই আবেদনকে স্বীকার করেছেন।

শঙ্খকরাচার্য কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন এবং হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন কিন্তু তা সত্ত্বেও উনি শিল্যান্স যাত্রা বন্ধ করার ইচ্ছায় ছিলেন না। এরপর উনি হাসপাতাল থেকে ফিরলে উনাকে দেশে ইসলামিক জিহাদিদের দ্বারা আক্রমন নিয়ে অবগত করানো হয়। একইসাথে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এই বিষয়ে শঙ্খকরাচার্য এর সাথে কথা বলে যাত্রা স্থগিত করার জন্য অনুরোধ জানান। যারপর শঙ্খকরাচার্য বলেন আমরা দেশের মানুষের সাথে আছি এবং এই ইস্যু যাতে রাষ্ট্রীয় ইস্যুতে আঘাত না করে তার জন্য যাত্রা স্থগিত করা হলো।

6 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.