Press "Enter" to skip to content

সরকারি স্কুলের শিক্ষকের বিতর্কিত ফরমান জারি! নমস্তের পরিবর্তে সকলকে বলতে হবে সেলাম আলাইকুম।

বছরের পর বছর ধরে তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষতা ও তোষণ নীতির ছায়াতলে কট্টরপন্থী ধার্মিক উন্মাদীরা কিভাবে প্রকট হয়ে উঠছে তা এখন কল্পনার অতীত। এই ধার্মিক উন্মাদীদের সংখ্যা ভারতে এতটাই বেড়ে গেছে যে তারা এখন ভারতের সঙ্গস্কৃতিকে মুছে দিয়ে আরবি সংস্কৃতি লাগু করার ফরমান শোনাতে শুরু করেছে। আপাতত দেশে একটা শক্তিশালী সরকার রয়েছে তাই এদের নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে নাহলে এই কট্টরপন্থীরা নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে যেত। ের হারদয় এলাকার এক সরকারি স্কুলে বাচ্চাদের নমস্কার বা নমস্তের জায়গায় শেখানোর মামলা সামনে এসেছে। নমস্কার বা নমস্তের জায়গায় বলার ফরমান জারি করায় সরকারি স্কুলের অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রদের পরিবার পরিজনরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে।

পরিবার পরিজনরা জমিয়ে স্কুলের সামনে হাঙ্গামা করেছে এবং তাদের ছেলে মেয়েদের উপর আরবি সঙ্গস্কৃতি চাপিয়ে দেওয়ার জন্য প্রতিবাদ জানিয়েছে। ছাত্রছাত্রীদের পরিবারের সাথে বজরং দলের কার্যকর্তারও সামিল হয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে কার্যবাহী করার দাবি উঠিয়েছে। অভিভাবকদের দাবি মেনে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা দপ্তর অভিযুক্ত শিক্ষককে নোটিস পাঠিয়েছে। জানিয়ে দি অভিযুক্ত শিক্ষককের নাম মহম্মদ ইশতিয়াক যে ছাত্রছাত্রীদের উপর আরবি সংস্কৃতি চাপিয়ে দিয়েছিল এবং সেলাম আলাইকুম বলার ফরমান লাগু করেছিল।

ঘটনাটি তখন সামনে এসে যখন বাচ্চারা নতুন শব্দ শিখে সেটা বাড়িতে বলতে শুরু করে। বাচ্চাদের মুখে সেলাম আলাইকুম শব্দ শুনে অভিভাবকরা চিন্তিত হয়ে পড়ে এবং পরে জানতে পারে যে পুরোটাই কট্টরপন্থী ধার্মিক উন্মাদী মহম্মদ ইশতিয়াকের শেখানো। মহম্মদ ইশতিয়াক নমস্তের খারাপ দিক ও সেলাম আলাইকুমের ভালো দিক শেখাতে শুরু করে দিয়েছিল।

শুধু এই নয় স্কুলে যারা নমস্তে বলতো তাদেরকেও মারধর করতো এই মহম্মদ ইশতিয়াক। এই মামলায় বিএসএ হেমন্ত রাও বলেছেন, ” ঘটনার পুরো তদন্ত চলছে এবং অভিযুক্ত শিক্ষককে নোটিস পাঠানো হয়েছে। তদন্তে যা সামনে আসবে তার ভিত্তিতে কার্যবাহী করা হবে।”

9 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.