Press "Enter" to skip to content

“৪ টি বিয়ে করে ৪০ টি বাচ্চা জন্ম দাও তবেই ভারতে সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়া যাবে”: সাজিদ রাশিদি, ইসলামিক ধর্মগুরু।

বতমান দশকে ভারত দেশ বিকশিত হচ্ছে এবং সামনের সমস্থ বাঁধাকে লাগাতার অতিক্রম করছে। কিন্তু বিকশিত ভারতের সামনে দুটি বড় এমন বাধা ধেয়ে আসছে যা নিয়ন্ত্রণ করা পরবর্তীকালে কঠিন হয়ে উঠতে পারে। প্রথম বাধা- জনসংখ্যা বিস্ফোরণ এবং দ্বিতীয় বাধা জনসংখ্যার অসমতুল্য বৃদ্ধি। অবশ্য জনসংখ্যা বৃদ্ধির থেকেও জনসংখ্যার অসমতুল্য বৃদ্ধিকে অনেকবেশি বড় বিপদ বলে গণ্য করা যেতে পারে। এর কারণ অতীতে এই জনসংখ্যার অসমতুল্য বৃদ্ধির জন্যেই ভারত খণ্ডিত হয়েছে। ভারতে যে যে প্রান্তে হিন্দু সংখ্যা কমে অন্য সম্প্রদায়ের জনসংখ্যা বৃদ্ধি হয়েছে সেই সেই প্রান্ত ভারত থেকে আলাদা হয়েছে। পাকিস্থান, বাংলাদেশ , আফগানিস্তানের মতো এলাকায় এই হিন্দু জনসংখ্যা কমে অন্য সম্প্রদায়ের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার কারণেই ভারত আলাদা হয়েছে। এমনকি কাশ্মীর যখন থেকে হিন্দু শুন্য হয়েছে তখন থেকে কাশ্মীরকে ভারত থেকে আলাদা করার চেষ্টা চলছে।

বলার তাৎপর্য এই যে, যেখানে যেখানে হিন্দু জনসংখ্যা কমেছে সেখানে সেখানে দেশ ভাগ হয়েছে। জনসংখ্যার অসমতুল্যতার জন্য এই রকম চরম বিপদজনক অবস্থার দিকে আবার এগোতে পারে ভারত। কেরল, পশ্চিমবঙ্গ ও উত্তরপুর্ব ভারতের বেশকয়েকটি রাজ্যে এই অসমতুল্যতা লাগাতার বেড়েই চলেছে। কিছু কট্টরপন্থী তো এই অসমতুল্যতাকে কাজে লাগিয়ে ভারতকে ইসলামিক দেশ করার জন্যও নেমে পড়েছে।

ইসলামিক ধৰ্মগুরু মহম্মদ সাজিদ রাশিদি তার অনুগামীদের উদ্দেশ্য বলেছেন- প্রত্যেক মুসলিম ব্যাক্তির উচিত ৪ টে বিয়ে এবং ৪০ টি বাচ্চা জন্ম দেওয়া। এটা করলে পরবর্তী ১০ বছরের মধ্যে আমরা ভারতের অর্ধেক জনসংখ্যায় পরিণত হব। সাজিদ রাশিদি বলেন যদি অল্পসংখ্যক জনসংখ্যাকে বহুসংখ্যক জনসংখ্যায় পরিণত করতে হয় তাহলে এই কাজ করতেই হবে।

সোজা ভাষায় রাশিদি মুসলিমদের তথা তার অনুগামীদের জনসংখ্যা জিহাদ করার জন্য উস্কানি দিয়েছেন। অর্থাৎ জনসংখ্যা বাড়িয়ে এলকা, দেশের ইসলামিকরন। কিছুজন এটাকে ধার্মিক ভণ্ডামি বলে এড়িয়ে গেলেও আসলে জনসংখ্যার অনুপাতের পরিবর্তন যে কত বড় বিপদ হতে পারে তা আগেও ভারত দেখেছে।