Press "Enter" to skip to content

সারা দেশ যখন অটলজির জন্য শোকপালন করছে তখন এই দুজন যা করলো জানলে আপনিও রেগে লাল হবেন।

এই দুজনকে ঈশ্বর মানুষের রূপ দিলেও ইনাদের চিন্তাধারা সম্পুর্ন কট্টরপন্থীদের মতো। আর এটা কোনো মুখের কথা নয় এটা এরা নিজেরাই বার বার প্রমান করে। এই সকল চিন্তা ধারার লোকেরা পাকিস্থানের লোকেরদের জন্য মরা কান্না কাঁদতে পারলেও যাদের কারণেই আজ মান সন্মান ও ধনসম্পত্তি তৈরি করেছেন তাদের একবারের জন্যেও দীপাবলি বা জন্মাঅষ্টমীর শুভেচ্ছা জানায় না এই কট্টরপন্থীরা। এদের শুভেচ্ছা জানানোতে কারোর কোনো যায় আসে বা আসে না সেটা বড়ো বিষয় নয়। বিষয় এই যে এই কট্টরপন্থীরা নিজেদের সবথেকে বড়ো সেকুলার(ধর্মনিরপেক্ষ) বলে প্রচার করে আর আমাদের সমাজ এদেরকে মহানায়ক/হিরো মনে করে নিজেদের আদর্শ বানিয়ে ফেলে।

গতকাল ভারতরত্ন অটল বিহারী বাজপেয়ীর স্বর্গবাসের পর পুরো দেশ শোকাচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে। পার্টি ধর্ম নির্বিশেষ দেশের জনগণ অটলজির জন্য শোকপালন করছে। বিজেপি বিরোধী মমতা ব্যানার্জী হোক বা ইতালির সোনিয়া গান্ধী হোক সকলেই দেশের পূর্বপ্রধানমন্ত্রীর নিধনে নিজেদের শোকপ্রকাশ করেছেন এবং শ্রদ্ধাঅঞ্জলী দিয়েছেন।এমনকি আমেরিকা, রুশ, বাংলাদেশ পর্যন্ত অটলজির নিধনে নিজেদের দুঃখ প্রকাশ করেছেন।অন্যদিকে এই দুজন কট্টরপন্থী মানসিকতার ব্যাক্তি অটলজির জন্য কোনো শোক প্রকাশ করেনি।

এই দুজন এমনভাবে হারিয়ে গেছে যেন ভারতরত্ন এর নিধনের কোনো খবর পর্যন্ত পায়নি এনারা। শোকপ্রকাশ তো দূর এর অটলজির জন্য কোনো টুইট পর্যন্ত করেনি। সালমান খান, আমির খান ইত্যাদিরা এখনো পর্যন্ত একটা সিঙ্গেল টুইট করেনি। আপনাদের জানিয়ে দি, দেশের জিহাদি মনোভাবাপন্ন ব্যাক্তি ও কিছু কট্টর বামপন্থীরা এখন অটলজির সম্পর্কে গালি গালাজ ও অপপ্রচার চালানোর জন্য নেমে পড়েছে।

আসলে দোষারোপ শুধু এই দুজনকে করে লাভ নেই কারণ এদের থেকে বেশি লজ্জা তো সেই সব মানুষের হওয়া উচিত যারা এদেরকে সেকুলার ও হিরো মনে করে দীর্ঘ দিন ধরে একটা বড়ো স্থানে পৌঁছাতে সাহায্য করেছেন। তবে এই প্রথম নয় এর আগেও ভারতের বন্ধু দেশ ইজরায়েলের রাষ্ট্রপতি বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ভারতে এসে বলিউড অভিনেতাদের সাথে দেখা করতে চেয়েছিলেন তখনও সব অভিনেতারা গেলেও এই খানদের দেখা যায়নি। কারণ পরিষ্কার , ইজরায়েল কোনো আতঙ্কবাদী ও কট্টরপন্থা সহ্য করে না। পাকিস্থান ,সিরিয়া, ফিলিস্তিনের জন্য কাঁদবার সময় বা তুর্কির কট্টরপন্থী রাষ্ট্রপতির সাথে দেখা করার সময় এদের কাছে থাকলেও কাশ্মীর থেকে বিতাড়িত পন্ডিতদের জন্য দুঃখ প্রকাশ হোক বা ইজরায়েলের রাষ্ট্রপতিকে সন্মান জানানো হয় অথবা ভারতরত্ন আতালজির জন্য শোক পালনের সময় এদের নেই। হ্যাঁ তবে হিন্দু বহুল ভারতকে অসহিষ্ণু বলার সময় এদের আছে এবং আমাদের দেশের লোকেদের কাছে এদের সিনেমা ও ভন্ড নাটক দেখার অনেক সময় আছে।