Press "Enter" to skip to content

এক পাকিস্থানি জঙ্গিকে ছেড়ে দিয়ে হিন্দুদের গ্রেপ্তার করে কংগ্রেস কিভাবে হিন্দুদের বদনাম করেছিল জানলে আপনিও রেগে লাল হবেন।

ভারতবর্ষ ধর্মবিরোপেক্ষতার দেশ হলেও দেশের সব থেকে পুরনো রাজনৈতিক দল কংগ্রেস কখনোই দেশে ধর্মনিরপেক্ষ হয়ে কাজ করনি তার হাজার উদাহরণ আজ সামনে এসেছে। কংগ্রেস যতদিন ভারতে শাসন চালিয়েছে, তারা ভোটব্যাঙ্কের লোভে মুসলিম তোষণ চালিয়ে গেছে। আজ আজ আমরা আপনাদের ১১ বছর আগের একটা চক্রান্তের কথা বলবো যার মাধ্যমে পাকিস্থানিদের বাঁচিয়ে ভারতের হিন্দুদের ফাঁসানো হয়েছিল এবং হিন্দু আত্নকবাদ শব্দের উৎপত্তি করা হয়েছিল।

আমি বলছি ২০০৭ সালে সমঝোতা এক্সপ্রেস ব্লাস্ট এর ঘটনা। এই ঘটনা পাকিস্থানি আতংকবাদী ধরা পড়েছিল কিন্তু ১৪ দিনের মাথায় তাকে নিঃশব্দে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। পরে এই ঘটনায় স্বামী অসীমানন্দকে গ্রেপ্তার করা হয় যাতে গেরুয়া আত্নকবাদ বা হিন্দু আত্নকবাদ শব্দের উৎপত্তি করে বিশ্বে হিন্দুদের বদনাম করা যায়। এই ঘটনার প্রথম তদন্তকারী অফিসার ছিলেন গুরুদীপ সিংহ। আগের বছর ৯ জুন গুরুদীপ সিংহ আদালতে একটা স্টেটম্যান দেন।

ওই স্টেটম্যান এ গুরুদীপ সিংহ লিখেছিলেন,”এটা সত্যি যে সমঝোতা এক্সপ্রেস ব্লাস্ট এর আসল অপরাধী পাকিস্থানি আজমল আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। আজমল উপযুক্ত কাজগ পত্র ছাড়াই ভারত এসেছিল এবং ভারতে দিল্লি, মুম্বাইয়ের মতো শহরগুলি ঘুরেছিল। আমি তদন্তের সময় আজমলের সাথে সেই সব জায়গায় গিয়ে তদন্ত করেও এসেছিলাম। কিন্তু সুপারেন্টেড অফ পুলিশ,ডিআইজি ও আধিকারিকদের নির্দেশে আমি আজমলকে ছেড়ে দিয়েছিলাম।”

এখন প্রশ্ন এই যে পুলিশ আধিকারিকরা কেন এক পাকিস্থানী অপরাধীকে ছাড়ার জন্য চাপ দিয়েছিল? নিশ্চয় ওই পুলিশ আধিকারিকের উপর রাজনৈতিক স্তরের চাপ ছিল। অবাক করার বিষয় যে মাত্র ১৪ দিনে ঠিক করে নেওয়া হয়েছিল যে পাকিস্থানি অপরাধী নির্দোষ। সেই মতো তাকে ছেড়ে স্বামী অসীমাননদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল এবং হিন্দুদের আত্নকবাদ তকমা দিয়ে বিশ্বে হিন্দু জাতিকে বদনাম করেছিল কংগ্রেস।