Press "Enter" to skip to content

পুরো ভারত সেনাকে সন্মান জানাতে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক দিবস পালন করলেও, পশ্চিমবঙ্গে পালন করতে দিতে নারাজ রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী।

সীমান্তে ক্রমাগত পাকসেনাদের চালানো গুলিতে প্রান যায় অনেক জাওয়ান এর। তাই তাদের কে উপযুক্ত জবাব দেওয়ার জন্য জাওয়ানরা এমন এক অপেরাশন চালিয়র ছিল যারপর পাকিস্থান কেঁপে উঠছিল এবং পুরো বিশ্ব ভারতকে বাহবা জানিয়েছিল। ২৯ শে সেপ্টেম্বর ২০১৬ সালে ভারতীয় সেনার স্পেশাল জাওয়ানরা পাকিস্তানের সীমান্তে ঢুকে সার্জিকাল স্ট্রাইক চালায়। গুড়িয়ে দেওয়া হয় একের পর এক জঙ্গি ঘাঁটি গুলি। সেই দিনটি ভারতীয় নাগরিকদের জন্য অত্যন্ত খুশির দিন কারণ ভারতীয় জওয়ানরা সেদিন পাকিস্থানের ঘরে ঢুকে মেরে এসেছিল। তাই সেই স্বরনীয় দিনটিকে আরও বেশি স্বরনীয় করতে UGC দেশের সমস্ত বিশ্বববিদ্যালয় গুলিকে নির্দেশ দেয় সেইটিকে সার্জিকাল স্ট্রাইক দিবস হিসাবে পালন করতে। কিন্তু আমাদের রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার
স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দেন যে, তারা এইদিন টিকে পালন করবেন না। আমাদের রাজ্যের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয় কে এই দিনটি বয়কট করার নির্দেশ দেন তিনি।

গতকাল UGC-র সেক্রেটারি রজনীশ জৈন দেশের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয় গুলির উপাচার্যদদের কে চিঠি দিয়েছেন। সেই চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন দেন যে, ২৯ শে সেপ্টেম্বর সার্জিকাল স্ট্রাইক দিবস পালন করার কথা। এছাড়াও সেই চিঠিতে উল্লেখ ছিল কেমন করে সেই দিনটিকে পালন করে দেশবাসীর কাছে চির স্বরনীয় করে রাখতে হবে।

কিন্তু গতকাল রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী জানিয়ে দেন যে, তারা এই রাজ্যে UGC এর নির্দেশ মানবেন না। তারা এই দিনে রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয় গুলিতে কোনোরকম অনুষ্ঠান হতে দেবেন না। পুরোদেশের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয় UGC এর নির্দেশ মেনে এই দিনটিকে পালন করলেও এইরাজ্যে মানা হবে না তাদের নির্দেশ। এমনটাই জানিয়ে দেন তিনি।

এমনকি তিনি সেনাবাহিনীকে সম্মান করে পালন করা এই দিনটিকেও বিজেপির চক্রান্ত বলেছেন। তিনি বলেন যে, বিজেপি রাজনৈতিক স্বাথে এই দিনটি ব্যাবহার করছেন। যেখানে সেনাবাহিনীর সাথে কোনো রাজনৈতিক দলের সম্পর্ক্য থাকে না সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে শিক্ষামন্ত্রীর এমন মন্তব্য সত্যি ভাবাচ্ছে সাধারণ মানুষ কে।
#অগ্নিপুত্র