Press "Enter" to skip to content

মাদ্রাসার জন্য বরাদ্দ চার হাজার কোটি, আর শহীদ সেনার পরিবারকে মাত্র পাঁচ লক্ষ! ধর্ম নিয়ে রাজনীতি কে করছে?

পুলওয়ামায় সিআরপিএফ এর জওয়ানদের উপর জঙ্গি হামলা হয় ১৪ই ফেব্রুয়ারি। ওই হামলায় শহীদ জওয়ানদের মধ্যে এরাজ্যের দুই জওয়ান ছিলেন। ৩৯ বছর বয়সী পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলার বাসিন্দা ছিলেন। আর ২৭ বছর বয়সী নদীয়া জেলার বাসিন্দা।

যখন হজে দুর্ঘটনা ঘটেছিল তখন মুখ্যমন্ত্রী বিলম্ব না করেই এরাজ্যে হজ যাত্রায় মৃত ব্যাক্তিদের ১০ লক্ষা টাকা দেওয়র কথা ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী । কিন্তু সিআরপিএফ এর শহীদ জওয়ানদের পাশে কিন্তু উনি সাথে সাথে দাঁড়ান নি! ছয়দিন পর উনি ওই শহীদদের ৫ লক্ষ টাকা করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন।

 

হজ যাত্রায় মৃতদের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা সাথে সাথে, আর দেশের জন্য জীবন বলিদান দেওয়া জওয়ানদের জন্য আর্থিক সাহাজ্য ঘোষণা করতে এত বিলম্ব কেন? আর টাকার অ্যামাউন্টেও তো অনেক ফারাক! দেশের জন্য প্রাণ দেওয়ার জন্য শহীদ জওয়ানদের পরিবার পাচ্ছে ৫ লক্ষা টাকা মাত্র। আর ধর্ম করতে গিয়ে প্রাণ হারানো পরিবার পাচ্ছে ১০ লক্ষ! কেন এমন দ্বিচারিতা?

আর এই মমতা ব্যানার্জীই এই মাসে ২০১৯ এর রাজ্য বাজেটে মাদ্রাসার জন্য চার হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেনে। মাদ্রাসার জন্য চার হাজার কোটি, হজে মরলে ১০ লক্ষ, মদ খেয়ে মরলে ২ লক্ষ, রাজস্থানে আফ্রাজুলের মৃত্যুতে সরকারের পক্ষ থেকে ৩ লক্ষ এবং সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জীর তরফ থেকে ১ লক্ষ আবার পরবারের একজনকে সরকারী চাকরি। কিন্তু দেশের জন্য শহীদ হওয়া জওয়ানের ক্ষেত্রে মাত্র ৫ লক্ষ।

মমতা ব্যানার্জী বারবার অভিযোগ করে এসেছেন যে বিজেপি বেং নরেন্দ্র মোদী ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করে। কিন্তু ধর্ম নিয়ে রাজনীতি কে করছে সেটা পশ্চিমবঙ্গ সমেত গোটা দেশ দেখতে পাচ্ছে। হজে মরলে সাথে সাথে আর্থিক সাহাজ্য ঘোষণা হলেও, শহীদ জওয়ানদের জন্য আর্থিক সাহাজ্য ঘোষণা করতে প্রায় এক সপ্তাহ সময় নিয়ে নেন। তাও আবার চাপে পরে।

8 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.