Press "Enter" to skip to content

শিবরাজ সিং এর ধমক খেয়ে ‘বন্দে মাতরম’ এর উপর নিষেধাজ্ঞা সরিয়ে নিল কমলনাথের কংগ্রেস সরকার।

কিছুদিন আগে মধ্যপ্রদেশের ক্ষমতায় এসেছে সরকার। আর ক্ষমতায় আসার পর থেকে মধ্যপ্রদেশে করে চলেছে একের পর এক অসামাজিক কাজকর্ম। পুরো রাজ্য জুড়ে জিহাদি ও দেশদ্রোহী মানসিকতার উৎপাত শুরু করেছে পার্টি। সভাপতি রাহুল গান্ধী ভোটের আগে মধ্যপ্রদেশের কৃষকদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে তাদের সমস্ত কৃষিঋণ মুকুব করে দেবেন, কিন্তু ভোটে জেতার পর যা করছেন তা কারোর কাছে গোপন নেই। আর সেই অসামাজিক কাজের ধারা বজায় রেখে কিছুদিন আগে মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী কমলনাথ সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন- সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট প্রতিমাসে যে বন্দে মাতরম গাওয়া হত সেটা বন্ধ করে দেওয়া হবে। আসলে কট্টরপন্থী জিহাদি শক্তিকে খুশি করতে এই সিধান্ত নিয়েছিল । কমলনাথ সরকারের এই দেশবিরোধী সিদ্ধান্তের চরম বিরোধীতা করেছিল মধ্যপ্রদেশের দল। আর এবার বিজেপির চাপের ফলেই পিছু হাঁটতে বাধ্য হল কমলনাথ।

কমলনাথের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মধ্যপ্রদেশের প্রাপ্তন মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন যে, এই দেশবিরোধী কাজ উনি মেনে নেবেন না। যদি কংগ্রেস সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েটতে “বন্দে মাতরম” গওয়া বন্ধ করে দিতে চাই তাহলে শিবরাজ সিং চৌহান তার নিজের জয়ী ১০৯ জন বিধায়ক কে নিয়ে ৭ ই জানুয়ারি সেখানে বন্দে মাতরম গাইবেন।

বিশেষ তথ্য অনুযায়ী এটাই জানা গিয়েছে যে, শিবরাজ সিং এর এই ঘোষণার পর নড়েচড়ে বসেছে কংগ্রেস সরকার। এখন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী কমলনাথ ফের ঘোষণা করেছেন যে আগের মতোই আবার সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েটতে প্রতিমাসে গাওয়া হবে বন্দে মাতরম এবং দেশের জাতীয় সংগীত “জন গন মন।”

এবং এখন বিজেপির চাপের ফলে বাধ্য হয়ে মধ্যপ্রদেশের কমলনাথ সরকার নুতন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই নুতন নিয়মে এটাই বলা হয়েছে এবার থেকে শুধুমাত্র সরকারি কর্মচারীরাই নয় বরং রাজ্যের সাধারণ মানুষও সামিল হবেন এই অনুষ্ঠানে। এবং প্রতিমাসে এই বন্দে মাতরম গান গেয়ে গেয়ে একটা করে সভা বের হবে তাতে সকলেই সামিল হবেন সরকারি কর্মচারী সহ সাধারণ মানুষ।
#অগ্নিপুত্র

7 Comments

  1. Hey check out high line pointe, run by adeline bababikov: 1291 South Ulster street, denver co 80231 manager@highlinepointe phone: 720-513-3865

Leave a Reply

Your email address will not be published.