Press "Enter" to skip to content

সংবিধান নয়, আমরা শুধু কোরানের নির্দেশেই চলবো: পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী ।

পশ্চিমবঙ্গের মমতা ব্যানার্জীর সরকারের একজন বড়ো মন্ত্রী। ইনি ভারতের সংবিধানের শপদ নিয়ে মন্ত্রী হয়েছেন। কিন্তু এই ব্যাক্তি সম্প্রতি এমন মন্তব্য করেছেন যার কল্পনাও আপনারা করতে পারবেন না। বহুবার এমন ছবি দেখা গেছে যখন মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ডের কট্টর মৌলবীরা সংবিধানের বিরুদ্ধে গিয়ে মন্তব্য করে এবং শারিয়া ও কোরানকে দিয়ে দেশ চালানোর কথা বলে। তারা সকলেই কট্টরপন্থী মৌলবী, কেউই সাংবিধানিক পদে বসা ব্যাক্তি নয়। সাংবিধানিক পদে বসা একজন মন্ত্রী যিনি কুরআন ও ইসলামকে আগে রেখেছেন। উনি বুঝিয়ে দিয়েছেন যে মুসলিমদের জন্য কোরান ও শারিয়া আগে সংবিধান পরে। বলেন, তালাক চলছে চলবে। এই তালাকের অধিকার কোরান দিয়েছেন। এতে কেউ বাঁধা দেওয়ার নেই।

সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী বলেন অর্ডিন্যান্স হলো না কানুন হলো এই ব্যাপারে মুসলিমদের কোনো পরোয়া করার দরকার নেই দের সৃষ্টিকরতে থেকেই তালাকের আইন করা হয়েছে। জানিয়ে দি খোলাখুলি এইরকম মন্তব্য করা ব্যাক্তি মমতা ব্যানার্জীর তৃণমূল কংগ্রেসের মন্ত্রী হওয়ার সাথে সাথে জামিয়াত উলেমা হিন্দের একজন নেতা। সিদ্দিকুল্লাহ খোলাখুলি বলেন, যে যায় আইন করুক মুসলিম সমাজের কিছু যাবে আসবে না, ইসলাম কারোর দয়ায় বেঁচে নেই।

অর্থাৎ উনি সংবিধানের লাগু করা কানুনের উপরেও নিজের কট্টরচিন্তাধারাকে বসানোর দাভী করেন। এখনো পর্যন্ত তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জী এই ব্যাপারে কোনো মুখ খোলেননি। জানিয়ে দি, সিদ্দিকুল্লাহ এই ধরণের কট্টর ও সংবিধান বিরোধী মন্তব্য করলেও দেশের মিডিয়ার এই ইস্যু দেশের সামনে তুলতে নারাজ। কোনো মিডিয়া এই মন্তব্যকে আপত্তিজনক মনে করছে না, কারণ এটাই তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষতা।

এক নিউজ পোর্টালে ছাপা খবর অনুযায়ী যদি এইরকম ব্যাক্তি ইসলামের নামে সংবিধানের বা কানুনের বিরোধিতা করতে পারে তাহলে ভারত- পাকিস্থান যুদ্ধ হলে ইসলামের নামে পাকিস্থানীদের সাথ দিতেও দ্বিধা বোধ করবে না। কারণ এইরকম কট্টর মানসিকতার ব্যাক্তিদের জন্য কোরান ও ইসলামে সবথেকে আগে। বর্বর ও কুপ্রথা তিন তালাকের উপর অধ্যাদেশ আনার পরই সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী এমন মন্তব্য করেছেন।