Press "Enter" to skip to content

প্রধানমন্ত্রীর থেকেও বড় সরকারি বাংলোয় থাকেন সোনিয়া গান্ধী!জনগণের অর্জিত অর্থের ব্যায় হোক বন্ধ!

কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী(Sonia Gandhi) ভারতের মহারানী নন, তা সত্ত্বেও উনি বহু সময় ধরে দেশের প্রধান মন্ত্রীর চেয়েও অনেক বড় বাংলোর উপর কব্জা করে আছেন। সোনিয়া গান্ধীর দিল্লির বাংলোটি ১০ জনপথের নামে পরিচিত, অর্থাৎ জনপথ এলাকায় ১০ নম্বর বাংলো যেটিতে সোনিয়া গান্ধী অনেক বছর ধরে কব্জা করে আছেন। এটি খুব মহিমান্বিত বাংলো বলেও পরিচিত। এই বিলাসবহুল বাংলোর ভেতর সোনিয়া গান্ধী চার্চও বানিয়েছেন। অবাক করার বিষয় এই যে, বাংলোটি দেশের প্রধানমন্ত্রীর বাংলোর  চেয়েও বড় একটি বাংলো।

সোনিয়া গান্ধী(Sonia Gandhi) শুধু একজন এমপি আর যদিও উনি এসপিজি-র সুরক্ষা পেয়েছেন। তবে এত বড় বাংলো থাকার কারণ পর্যালোচনার দরকার আছে। কারণ এত বড় বাংলো উনাকে দিতে গিয়ে জনগণের কোটি কোটি টাকা খরচা হয়ে যাচ্ছে। আর এক ভাবে বলতে গেলে জনগণের টাকার লুট-ই হচ্ছে,কারণ শুধুমাত্র একজন MP কে এত বড় বাংলো দেওয়ার অর্থ শুদ্ধ রূপে লুট বলা যেতেই পারে। জনগণের টাকাকে এই ভাবে লুটেপুটে খাওয়ার অধিকার কারোর নেই।

জনগণের মধ্যে এখন এই বিষয় নিয়ে আক্রোশ রয়েছে। দেশের মানুষ মাথার ঘাম পায়ে ফেলে পরিশ্রম করে, কাজ করে, ট্যাক্স দেয়, GST দেয়, ১টি টফি কেনাকাটার উপরেও ট্যাক্সের টাকা প্রদান করে। আর সেই টাকাকে নেতাদের বিলাসবহুল জীবনের জন্য এরম ভাবে উড়িয়ে দেওয়া একটি অপরাধ, তাই শুধু একজন এমপি সোনিয়া গান্ধীর কাছে দেশের প্রধান মন্ত্রীর চেয়েও বড় বাংলো আছে, আর তার উপর যথেষ্ট খরচাও হয়, এটি জনগণের টাকার রীতিমতো লুট আর তাই এর পর্যালোচনা হওয়া উচিত, আর ভারতের বাকি MP রা যেমন বাড়ি পায় সোনিয়া গান্ধীকেও সেরমই কোনো বাড়ি শিফ্ট করে দেওয়া উচিত।

দেশে নতুন সরকার ক্ষমতায় এসেছে। নরেন্দ্র মোদী ২.০ এড নেতৃত্বে সরকার আজ থেকেই কাজ আরম্ভ করে দিয়েছে। এখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের উচিত ঘটনার উপর দৃষ্টি দেওয়া এবং জনগণের টাকাকে লুট হওয়া থেকে বাঁচানো। দেশ জনগণের পরিশ্রমের ভিত্তিতে চলে, তাই জনগণের আবেগকে মাথায় রেখে সোনিয়া গান্ধীর থেকে বিলাসবহুল বাংলো কেড়ে নেওয়া উচিত।

Comments are closed.

you're currently offline