Press "Enter" to skip to content

২০১০ সালে ভারতীয় সেনার সাথে করা হয়েছিল সাংঘাতিক ষড়যন্ত্র! শেষ করে দেওয়া হয়েছিল সেনার গোপন ইউনিট।

বলিউডের এমন অনেক সিনেমা দেখেছেন নিশ্চয়, সেখানে বিভিন্ন দেশের সেনা ও সরকার মিলিতভাবে বিশেষ টিম গঠন করে কাজ করে। উদাহরণস্বরূপ, মিশন ইম্পসিবল, জেমস বন্ড ইত্যাদি।১৯৯০ সালের পর থেকে ে ইসলামিক আতঙ্কবাদ চরমে পৌঁছে যায় এবং জিহাদিরা ঘাঁটিজুড়ে উৎপাত শুরু করে। এর জন্য ভারতীয় সেনা একটা বিশেষ ইউনিট গঠন করেছিল যাদের কাজ ছিল চুপিসাড়ে নিজেদের পরিচয় গোপন করে দেশদ্রোহীদের মেরে ফেলা।

এই ইউনিট দেশদ্রোহীদের ধরার জন্য নয়,বরং তাদের চিহ্নিত করে মেরে ফেলার জন্য গঠন করা হয়েছিল। এটা একটা গোপন গোয়েন্দা ইউনিট ছিল। এই ইউনিটের একটা ভুয়ো নামও রাখা হয়েছিল যাতে কট্টরপন্থীরা ভ্রমিত হয়ে থাকে। এই ইউনিটের নাম রাখা হয়েছিল TDS-টেকনিক্যাল সাপোর্ট ডিভিশন। নাম এমন দেওয়া হয়েছিল যাতে সকলে ভাবে এটা একটা সাপোর্ট ইউনিট। কিন্তু আসলে এটা একটা গোপন ইউনিট ছিল।

কিন্তু ২০১০ সালে এক ষড়যন্ত্রের মাধ্যম এই ইউনিটকে শেষ করে দেওয়া হয়। একটা আর্মি ইউনিটকে মুছে ফেলার ক্ষমতা একমাত্র সরকারের হাতে থাকে। আর সেই সময় সরকার চালাচ্ছিলেন সোনিয়া গান্ধী। মনমোহন সিং শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসতেন কাজ হতো সোনিয়া গান্ধীর(আন্তোনিয়া মিয়ানো) ইশারায়। সেই সময় দেশের সুরক্ষা মন্ত্রী ছিলেন একে আন্তোনি এবং সরকারের প্রধান ছিলেন সোনিয়া গান্ধী।

যদি ওই ইউনিটকে মুছে ফেলা না হতো তাহলে কট্টরপন্থী হুরীয়ত নেতারা একটাও কাশ্মীরে টিকে থাকতে পারতো না। কারণ দেশের শত্রুদের শেষ করে দেওয়ার জন্য এই ইউনিট তৈরি করা হয়েছিল। দেশের বেইমানদের খুঁজে খুঁজে মারাই ছিল এই ইউনিটের কাজ। কিন্তু সোনিয়া গান্ধীর নেতৃত্বে সেনার এই ইউনিটকে শেষ করে দেওয়া হয়েছিল কারণ সেই সময় কাশ্মীরের হুরীয়ত, বিচ্ছিন্নবাদী নেতারা দিল্লীতে সোনিয়া বাড়িতে এসে বিরিয়ানি খেতেন।

যদি ওই ইউনিটকে মুছে ফেলা না হতো তবে আজ গিলানি, ইয়াসিন মালিক,মিরাভাজি এর মতো লোকেরা কাশ্মীরে দেখা যেত না। কাশ্মীর তো দূর, এই দুনিয়া থেকে লুপ্ত হয়ে যেত এই নেতারা। সেনার ওই ইউনিট থাকলে এতদিনে কাশ্মীর থেকে জিহাদ তথা আতঙ্কবাদের সমস্যাও মিটে যেত। কিন্তু কথায় আছে “কংগ্রেসের হাত আতঙ্কবাদকে সাথ”, যার জন্য কংগ্রেস আতঙ্কবাদীদের সাহায্য করার জন্য এই ইউনিটকে শেষ করে দিয়েছিল। কংগ্রেসের এই পদক্ষেপের জন্যেই কাশ্মীরে আজ এত এত ভারত মায়ের সন্তানকে বলিদানি হতে হচ্ছে।

মোদী সরকার ২০১৪ সালে আসার পরেও এই ইউনিটকে আবার শুরু করা হয়নি। এর মূল কারণ ছিল বামপন্থী ও কংগ্রেস ঘেঁষা মিডিয়া যারা কাশ্মীর নিয়ে ভুল খবর প্রচার করে। তবে এবার পুলবামা ঘটনার পর সরকার নড়েচড়ে বসেছে এবং বিচ্ছিন্নবাদী নেতাদের সুরক্ষা বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। মোদী সরকার কাশ্মীর ঘাঁটিতে বড় কার্যবাহী শুরু করেছে। সেনা নিজের মতো করে অপারেশন চালিয়ে আতঙ্কবাদী দমনে নেমেছে। এখন সরকারকে আরো একটু পা বাড়িয়ে মুছে ফেলা ইউনিটকে নতুন করে শুরু করা দরকার। কারণ ওই ইউনিটকে নতুন করে সক্রিয় করলে তবেই আতঙ্কবাদের পরোক্ষ উৎসকে শেষ করা সম্ভব হবে।

পাঠকদের কাছে অনুরোধ এই বিষয়ের উপর আপনাদের মূল্যবান মতামত কমেন্টে জানান।

6 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.