Press "Enter" to skip to content

রোহিঙ্গা মুসলিমদের বের করার আদেশ দিলো সৌদি আরবের সরকার! রাখা যাবে না ১ জন রোহিঙ্গা মুসলিমকেও।

বিশ্বের ইসলামিক দেশগুলিও মুসলিমদের ঠাঁই দিতে অস্বীকার করেছে। সৌদি আরব যেখানে জমি বেশি, জনসংখ্যা কম সেখানের সরকার ১ টিও মুসলিমকে ঠাঁই দেবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশ ১৫ নভেম্বর থেকে ডিপোর্টের উপর কাজ শুরু করে দেবে। ভারতে অগুনতি ঢুকে রয়েছে, বহু তো ভারতের মুসলিমদের সাথে সম্পূর্ণভাবে মিশে গেছে। কিন্তু সৌদি আরবে খুব কম সংখ্যায় রোহিঙ্গা শরণার্থী রয়েছে যেগুলোকে বের করার কড়া সিধান্ত নিয়েছে সৌদি আরবের সরকার। ভারতের সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা রোহিঙ্গা ডিপোর্টের জন্য লাগাম লাগিয়ে তারিকের পর তারিখ দিয়ে যাচ্ছে সেখানে মুসলিমবহুল সৌদি আরবের সরকার ১ টাও রোহিঙ্গাকে তাদের দেশে রাখতে অস্বীকার করে দিয়েছে।

আসলে পরিস্কার ভাষায় বললে, শরণার্থী বলে রোহিঙ্গাদের উপর যে সহানুভূতি দেখানো হচ্ছে সেটা পুরোটাই ষড়যন্ত্র। ষড়যন্ত্র এই যে, যেখানে যেখানে মুসলিম কম, অমুসলিম বেশি সেখানে রোহিঙ্গা ঢুকিয়ে মুসলিম জনসংখ্যা বাড়িয়ে তোলা। অমুসলিম দেশগুলিতে রোহিঙ্গা ঢুকিয়ে বেশি করে বাচ্চা তৈরি করানো এবং দেশগুলিকে ইসলামিক করে দেওয়া। এটা একটা জলের মতো পরিষ্কার বিষয় কিন্তু ভারতের তথাকথিত বুদ্ধিজীবী ও সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা এই বিষয় মানতে রাজি নয়। মুসলিম দেশগুলির জনসংখ্যা খুব কম এবং জায়গা বেশি।

অথচ সব মুসলিম দেশ রোহিঙ্গা রাখতে নারাজ। অন্যদিকে ভারতের কট্টরপন্থী, বামপন্থী, কংগ্রেসিরা ভারতে রোহিঙ্গা রাখার জন্য সর্বদা প্রস্তুত হয়ে রয়েছে। একটা কড়া সত্য এই যে ভারতে যারাই রোহিঙ্গাদের রাখতে চাই তারা সকলের একটাই উদ্দেশ্য ভারতকে ইসলামিক দেশ তথা গজবা এ হিন্দ প্রতিষ্ঠা করা।

ভারতের বিরুদ্ধে চলা এই ষড়যন্ত্র এর কথা কট্টরপন্থী , বামপন্থী, কংগ্রেসি, বুদ্ধিজীবীদের সাথে সাথে মিডিয়াও জানে। কিন্তু ভারতের বেশিরভাগ মিডিয়া বিদেশি ফান্ডে চলে এই কারণে মিডিয়া মুখে লাগাম লাগিয়ে মোদী সরকারের বিরুদ্ধে দিনরাত বিষ উগরে দিতে ব্যাস্ত থাকে। মিডিয়ার নিশ্চুপতার কারণে আজ ভারতের অনেকে শহরে মিনি পাকিস্থানের নির্মাণ হয়ে গেছে যেখানে ভারতের পুলিশ পর্যন্ত প্রবেশ করতে ভয় পায়।