Press "Enter" to skip to content

নিজের মতো দেখতে ১৬ জনকে রাখতেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু! বইতে পড়ানো হয় না আসল ইতিহাস।

দেশের ইতিহাসকে নিয়ে অনেক টানা হেঁচড়া করা হয়েছে এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। নেহেরুর আমলে যখন ইতিহাস লেখা হচ্ছিল তখন ইতিহাসবিদরা ও INA কে নিয়ে বড়ো অধ্যায় লিখেছিলেন। কিন্তু পরে নেহেরুর চাপে সেগুলিকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়। তাই আজ অধিকাংশ ভারতীয় নেতাজির অবদান সম্পর্কে খুব কম জানেন। মানুষকে ইতিহাস যেভাবে পড়ানো হয় মানুষের ধারণ সেভাবেই তৈরি হয়। উদাহরন সরূপ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে আজ অবধি হিটলারকে স্বৈরাচারী শাসক বলে দেখা হয়। কিন্তু আমেরিকার জাপানে দুটি বোমা ফেলে   ছিল। কিন্তু আজও আমেরিকার রাষ্ট্রপতিকে কেও গালিগালাজ দেয় না। কিন্তু বহুদেশেক স্বাধীন করা হিটলারকে অন্য চোখে দেখা হয়। এর কারণ যুদ্ধে আমেরিকার জয় হয়েছিল এবং ইতিহাস আমেরিকার দ্বারা লেখা হয়েছিল।

জানিয়ে দি, নেতাজি শুধু ভারতের নেতা ছিলেন না। সুভাষ চন্দ্র বসু পুরো দক্ষিণ এশিয়ার প্রধান নেতা হিসেবে দাঁড়িয়েছিলেন। তখনকার দিনে হিটলার সহ সব বড়ো নেতাদের ৬ থেকে ৭ জন করে বহুরূপী থাকতো। কিন্তু নেতাজির ছিল ১৬ জন বহুরূপী। যারা ছিলেন প্রায় নেতাজির মতোই দেখতে। নেতাজি যদি একদেশ থেকে অন্য দেশে যেতেন, তাহলে তার আগে ওই রাস্তায় বহুবার টেস্ট করে দেখা হতো যে পথ নিরাপদ কিনা। কারণ নেতাজি তখনকার দিনে পুরো দক্ষিণ এশিয়াকে মুক্তির জন্য কাজ করছেন। ৩ জুলাই ১৯৪৩ সালে যখন নেতাজি সিঙ্গাপুর গেলেন তখন পূর্ব এশিয়া বাসীরা উনার জন্য একটা গান তৈরি করেছিলেন।

 

গানটা ছিল- “সুভাষজি ও সুভাষজি, ও জানে হিন্দ আ গেয়ে।”  ১৯৪৩ সালের ২১ শে অক্টোবর আজাদ হিন্দ সরকারের স্থাপন হয়েছিল। মায়ানমারে রেঙ্গুনে ছিল এই সরকারের রাজধানী। পূর্ব এশিয়াবাসী নেতাজিকে শান-এ-হিন্দ বলেও সম্বোধন করতেন। নেতাজি যখন ভারতে আজাদ হিন্দ বাহিনী নিয়ে ঢুকেছিলেন তখন দেশে রটিয়ে দেওয়া হচ্ছিল যে ওগুলো জাপানি সৈনিক। নেতাজি মোহনদাস গান্ধীকে দূত পাঠিয়ে বলছিলেন দেশকে আসল সত্য জানাতে। কিন্তু মোহনদাস গান্ধী নেতাজির সাহায্য করেননি, উল্টে ২ য় বিশ্বযুদ্ধে ইংরেজদের সাহায্য করতে ডাক দিয়েছিলেন।