Press "Enter" to skip to content

বড় পর্দাফাঁস: মানসিক ভারসাম্যহীন রোগী প্রিয়াঙ্কা ভাদ্রা! হটাৎ হটাৎ রেগে গিয়ে আক্রমন করেন মানুষের উপর।

গান্ধী পরিবারের পারিবারিক রাজনৈতিক ব্যাবসাতে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী/ ভাদ্রা নেমে পড়েছে। কংগ্রেস পার্টির জন্য প্রচার কাজ চালানোর উদ্দেশ্যে মাঠে নেমেছে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। কংগ্রেসে অনেক যোগ্য নেতা নেত্রী রয়েছে যারা পার্টির মহাসচিব পদ সামলাতে পারতেন। কিন্তু কংগ্রেস গান্ধী পরিবারের নিজস্ব ব্যাবসা হওয়ায় রাহুল গান্ধীর বোন তথা জমি চুরির জন্য অভিযুক্ত রবার্ট ভাদ্রার স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা ভাদ্রাকে মহাসচিব পদ দেওয়া হয়েছে। দেশের দালাল মিডিয়াও প্রিয়াঙ্কাকে নিয়ে বেশ উৎসুক হয়ে রয়েছে। মিডিয়া প্রিয়াঙ্কাকে মোদীর স্তরের নেতা বলতে শুরু করে দিয়েছে। তবে রাজনীতির এই উত্তপ্ত মহলে প্রিয়াঙ্কার উপর একটা বড় পর্দাফাঁস হয়েছে। এই পর্দাফাঁস কোনো সাধারণ ব্যাক্তি নয় এক বিশেষ ব্যাক্তি করেছেন।

জানা গিয়েছে যে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী হিংসাত্মক ব্যাক্তির মহিলা এবং উনার মানসিক ভারসাম্য ঠিক নেই। প্রিয়াঙ্কার বিষয়ে এই তথ্য জানিয়েছেন যিনি গান্ধী পরিবারে সাথে এক সময়ে খুব ঘনিষ্ঠ ছিলেন। রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী দুই জনকেই ছোটো থেকে বড় হতে দেখেছেন । রাহুল ও প্রিয়াঙ্কার সম্পর্কে উনি এমন এমন তথা জানেন যেটা দেশের বাকি জনগন জানেন না।

ডক্টর স্বামী ANI দ্বারা করা প্রশ্নের উত্তরে প্রিয়াঙ্কা ভাদ্রার উপর এই পর্দাফাঁস করেছেন। জানিয়ে দি, সুব্রামানিয়াম স্বামী একজন বরিষ্ট রাজনীতিবিদ। উনি নির্বাচন সভা করেন না ঠিকই কিন্তু দেশে যত হাইপ্রোফাইল বিজেপি সমর্থক, রাষ্টবাদী মানুষ আছেন সকলেই সুব্রামানিয়াম স্বামীর বড় ভক্ত। স্বামী কোনো কথা রাজনৈতিক জোশে বা ভিত্তিহীন এজেন্ডা চালানোর জন্য বলেন না, যা বলেন পুরোটাই বিচার করার পর বলেন।

ডক্টর স্বামী বলেন প্রিয়াঙ্কার একটা রোগ রয়েছে যা সাধারণ জীবনে উপযুক্ত নয়। এই রোগের নাম বাইপোলারিটি। স্বামী বলেন, প্রিয়াঙ্কা হটাৎ করে হিংসক রূপ নিয়ে নেয় এবং অন্যের উপর আক্রমণ করে বসে, তাই জনগণের সাবধান থাকা উচিত। কারণ রাজনৈতিক প্রচারে গিয়ে পাবলিক প্লেসে নিজের উপর ভারসাম্য হারিয়ে ফেললে সেটা খুবই বিপদজনক।

11 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.