Press "Enter" to skip to content

ক্রুদ্ধ হয়ে লোকসভার ১৯ সাংসদকে বহিস্কার করলেন অধ্যক্ষ সুমিত্রা মহাজন! হতাশ কংগ্রেস নেতানেত্রীরা।

বেশ কয়েকমাস ধরে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী রাফায়েল নিয়ে মিথ্যা বলে বলে লোকসভার কাজকর্মে বাঁধা সৃষ্টি করে আসছেন। ভুলভাল মন্তব্য করে লোকসভার অর্থ ও সময় দুই ব্যায় করেছেন রাহুল গান্ধী। যেখানে দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়ে জানিয়ে দিয়েছেন, রাফায়েল নিয়ে কোনো দুর্নীতি করেনি, বরং রাফায়েল বিমান দেশে এলে সেটা দেশের সুরক্ষা ব্যবস্থা কে আরও শক্তিশালী করবে। সেখানে সুপ্রিমকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে যাচ্ছে কংগ্রেস। আর এই জন্যই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি এদিন লোকসভায় দারুন জবাব দিলেন রাহুল গান্ধীর সমস্ত অবাস্তব দাবিতে। জেটলির জবাবের পর একদম নিশ্চুপ হয়ে গিয়েছিলেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। প্রতিউত্তরে কিছুই বলতে পারেননি কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী।

আর এমন পরিস্থিতিতে লোকসভার অধ্যক্ষ সুমিত্রা মহাজন নিলেন এক কড়া সিদ্ধান্ত। উনার এই সিদ্ধান্তের ফলে ভারতীয় রাজনৈতিক জগতে হৈচৈ বেঁধে গিয়েছে। বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে যে বৃহস্পতিবার লোকসভার স্পিকার সুমিত্রা মহাজন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে লোকসভার ভিতর গন্ডগোল বাঁধানো কয়েকজন বিধায়ক কে এবার থেকে লোকসভায় প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী জানা গিয়েছে যে, লোকসভার স্পিকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে, দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক কাজে বাঁধা সৃষ্টি করা এবং লোকসভার ভিতর হাঙ্গামা করা ১৯ জন নেতা কে লোকসভায় প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না ৪ দিন। জানা গিয়েছে যে, এই নেতারা তেলুগু দেশম পার্টি ও আন্নাদারমুক পার্টির অন্তর্ভুক্ত। এই ১৯ জন নেতা নিজেদের দাবি নিয়ে এইদিন লোকসভায় সরব হন, এবং এইরকম সময় তারা নিজেদের দাবি নিয়ে একেবারে লোকসভার স্পিকার সুমিত্রা মহাজনের চেয়ারের কাছে গিয়ে গন্ডগোল শুরু করে দেন।

এইরকম পরিস্থিতি দেখে লোকসভার স্পিকার সুমিত্রা মহাজন কিছু সময়ের জন্য আলোচনা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন। কিন্তু আবার আলোচনা শুরু হতেই উনারা আবার গন্ডগোল শুরু করে দেয়। এমন পরিস্থিতিতে সুমিত্রা মহাজন লোকসভার কাজকর্ম বন্ধ করে দিয়ে নিজের কক্ষ ছেড়ে সেই দিনের মত চলে যান।

আপনাদের একটি বিশেষ তথ্য জানিয়ে রাখি, এইদিন স্পিকার সুমিত্রা মহাজন রাফায়েল ইস্যু নিয়ে আলোচনা করার জন্য তিন ঘন্টা সময় দেন। তারপর দুপুর ১২ টাই লোকসভার অন্যান্য কাজ শুরু করতেই এই ১৯ জন সাংসদ গন্ডগোল শুরু করে দেন। তারা লোকসভার স্পিকার সুমিত্রা মহাজনের চেয়ারের কাছে গিয়ে তার দিকে কাগজের টুকরো ছুঁড়ে মারে। আর এমন পরিস্থিতিতে সুমিত্রা মহাজন ক্ষুব্ধ হয়ে যান এবং উনি সিদ্ধান্ত নেন এই ১৯ জন সাংসদ কে আগামী চার দিনের জন্য বহিস্কার করার।

গন্ডগোলের মাধ্যমে কংগ্রেস চেয়েছিল তাদের কাজ সাধন করে নিতে। কিন্তু সুমিত্রা মহাজনের নেতৃত্বে লোকসভা চলায় নিজেরদের এজেন্ডা চালাতে পারেনি কংগ্রেস। ১৯ জন সাংসদকে বহিস্কার করায় এখন কংগ্রেসের পাল্লা অনেকটা হালকা হয়ে রয়েছে যা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে কংগ্রেসের নেতা নেত্রীর। যদিও মিডিয়ার কাছে এই নিয়ে বেশি মন্তব্য করতে নারাজ কংগ্রেসের নেতা নেত্রীরা।
#অগ্নিপুত্র

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.