কাল সুপ্রিম কোর্টে শুনানি, তৃণমূলের বিরুদ্ধে বড় জয়ের আশায় বিজেপি

আগামী কাল সোমবার সুপ্রিম কোর্টে পশ্চিমবঙ্গের রেসিডেন্সিয়াল এলাকায় লাউড স্পিকারের ব্যাবহারের উপর জারি করা নিষেধাজ্ঞা নিয়ে রাজ্য বিজেপির আবেদনে শুনানি হবে। চিফ জাস্টিস রঞ্জন গগৈ এর বেঞ্চে এই শুনানি হবে। কলকাতা রাজ্য বিজেপির আবেদনে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র রাজনৈতিক ফায়দা তোলার জন্য স্কুল বোর্ডের পরীক্ষার বাহানায় মার্চ মাসের শেষ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি এলাকায় মাইক আর লাউডস্পিকারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে রাজ্য সরকার।

রাজ্য সরকার দ্বারা একটি নোটিফিকেশন জারি করে বলা হয়েছে যে, আগামী ৯ই ফেব্রুয়ারি থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত রাজ্যে কোন রকম মাইক আর লাউডস্পীকার বাজানোতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। বিজেপি জানিয়েছে, দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ড এর নিয়ম মোতাবিকে একটি নির্ধারিত সীমা পর্যন্ত লাউডস্পীকার আর মাইক বাজানর অনুমতি আছে।

কিন্তু রাজ্য সরকার ৯০ ডেসিবেল এর নীচে মাইক বাজাতে দেওয়ার অনুমতি না দিয়েই, একসাথে গোটা রাজ্যে মাইক আর লাউডস্পীকারে নিষেধাজ্ঞা জারি করা রাজ্য সরকারের একটি গভীর চক্রান্ত। রাজ্য সরকার এরকম এর জন্যই করছে কারণ, তাঁরা চায় রাজ্যে বিজেপি যাতে নির্বাচনি প্রচার না করতে পারে।

বিজেপি জানায় পরীক্ষা কেন্দ্রের আসাপাসে মাইক বাজানো নিয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করাকে আমরা সমর্থন করছি। পরীক্ষা কেন্দ্রের আশেপাশে মাইক বাজানো একমদই উচিৎ না, এরফলে আমাদের দেশের আগামী প্রজন্মের চরম সমস্যা হবে। কিন্তু গোটা রাজ্যে মাইক আর লাউডস্পীকার বন্ধ করার আমরা ঘোর বিরোধী। এরফলে প্রভাব পরবে নির্বাচনে। শুধু বিজেপিই না, প্রভাব পরবে সব বিরোধী দলের ক্ষেত্রেই। বিজেপির করা এই আবেদনে আগামী কাল প্রধান বিচারকের বেঞ্চে শুনানি হবে।

এর আগেও বিজেপির প্রচার রোখার জন্য নানারকম রাজনৈতিক ফন্দি এঁটেছিল তৃণমূল সরকার। কখনো হেলিকপ্টার নামার অনুমতি না দিয়ে, আবার কখনো সভাস্থলে জল ছেড়ে দিয়ে বিজেপির প্রচার রুখতে চেয়েছে মমতা ব্যানার্জীর প্রশাসন এবং তৃণমূলের ক্যাডারেরা। কিন্তু তাতেও প্রচার রোখা সম্ভব হয়নি। আর এরজন্যই নতুন ফন্দি এঁটেছে সরকার।

Leave a Reply

you're currently offline

Open

Close