Press "Enter" to skip to content

হতাশ হিন্দুসমাজ ! ৩ মিনিটের কার্যবাহীতে অযোধ্যা মামলার শুনানি ৩ মাস পিছিয়ে দিলো আদালত।

একদিকে যখন পুরো দেশের হিন্দু সমাজ রাম মন্দিরের বিতর্ক মিটে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছিল তখন আবার হতাশ হওয়ার মতো রায় দিলো আদালত। মাত্র ৩ মিনিটের শুনানির পরেই ৩ মাস পিছিয়ে গেল মামলার শুনানি, এবার ২০১৯-এর জানুয়ারিতে শুরু হবে শুনানি। হিন্দু সমাজকে হতাশ করে এবার ৩ মাস পর এই মামলাটি শুনানি হবে। প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ, বিচারপতি সঞ্জয় কিষণ কউল এবং বিচারপতি কে এম যোশেফের বেঞ্চে আজ অর্থাৎ সোমবার সকাল ১১টা থেকে শুনানি শুরু হয়। ২০১০-এ রাম মন্দির মামলায় রায় ঘোষণা করতে গিয়ে এলহাবাদ হাইকোর্ট ২.৭৭ একর জমি সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড, নির্মোহি আখড়া এবং রাম লালার মধ্যে বণ্টন করার নির্দেশ দেয়।

এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে যায় সমস্থ পক্ষ তারই শুনানি শুরু হলে মাত্র ৩ মিনিটে দেশবাসীকে হতাশ করে আদালত। এবার রাম মন্দির নিয়ে খোলাখুলি ক্ষোপ প্রকাশ করেছেন অনেকে। কারণ যেখানে ইসলামিক দেশ মন্দির গড়ে তুলছে সেখানে ভারতের হিন্দুদের মন্দির তৈরি করার জন্য আদালত বছরের বছর ঘোরাচ্ছে। অনেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় বলেছেন জঙ্গিদের ফাঁসি আটকানোর মামলায় রাতারাতি আদালত খুলে বসে কিন্তু হিন্দুদের আস্থার সময় বছরের পর বছর কাটিয়ে দেয় আদালত।

শুধু এই নয়, সাবরিমালার বিষয়েও আদালত হিন্দু ধর্মের নিয়ম ভেঙে রায় দিয়েছে কিন্তু এখন রায় দিতে গিয়ে মাসের পর মাস লাগিয়ে দিচ্ছে – এমন দাবিও তুলেছে অনেকে। তবে অনেকে এই বিষয়ে কেন্দ্র সরকারকে অধ্যাদেশ আনার জন্য দাবি তুলেছে। ের বিষয়ে আস্থা এতটাই প্রবল রয়েছে যে কিছুজন সোশ্যাল মিডিয়ায় এই মামলায় দেরি করার জন্য চিফ জাস্টিস রঞ্জন গগৈকে আক্রমণ করে বসেছেন। যেহেতু রঞ্জন গগৈ কংগ্রেস নেতার ছেলে তাই জন্যেই উনি মামলা পিছিয়ে দিলেন বলে দাবি উঠেছে।

যাইহোক আপাতত রামমন্দির নিয়ে কোনো শুনানি আদালতে হবে না, যা হবে ৩ মাস পর অর্থাৎ ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসে। এখন কেন্দ্র সরকার যদি রামমন্দিরের উপর অন্যকিছু সিধান্ত নেয় তবেই এ বিষয়ে আবার চর্চা উঠবে।