Press "Enter" to skip to content

রোহিঙ্গা ও অবৈধ বাংলাদেশিদের বড়ো স্বস্তি দিলো সুপ্রিমকোর্ট! অনুপ্রবেশকারীদের তাড়ানোর উপর শুনানি করতে অস্বীকার।

২৯ শে অক্টোবর কোটি কোটি রামভক্তদের ঝটকা দেওয়ার পর আজ ৩০ শে অক্টোবর ের বিচারপতি ও বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের বড়ো স্বস্তি দিয়েছেন। অনুপ্রবেশকারীদের তাড়ানোর জন্য যে পিটিশন দায়ের করা হয়েছিল তার উপর শীঘ্রই শুনানি করতে অস্বীকার করেছেন আদালতের বিচারপতি। আজ থেকে জানানো হয়েছে যে রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি মুসলিমদের মামলার উপর শীঘ্রই শুনানি করার কোনো প্রয়োজন নেই। আদালতে বিজেপির এক উকিল অস্বিনী উপাধ্যায় পিটিশন দায়ের করেছিল, সেখানে উনি বলেছিলেন যে দেশে ভিসা ছাড়া প্রবেশ নিষিদ্ধ কিন্তু কোটি কোটি অবৈধ বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা ভারতে ঢুকে পড়েছে এদেরকে বের করার তৎকালীন নির্দেশ জারি করা হোক।

এই পিটিশনের উপর আজ সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জানিয়েছেন যে এটা খুব বেশি প্রয়োজনীয় বিষয় নয় তাই এটার শুনানি ২০১৯ সালে করা হবে। অস্বিনী উপাধ্যায় দাবি করেছিলেন এই ব্যাপারে জরুরী শুনানি করা হোক, কারণ এই অবৈধ দেশের জন্য বিপদজনক। জানিয়ে দি রোহিঙ্গা মুসলিমদের যোগ জঙ্গিদের সাথে রয়েছে তার প্রমান আগেই পাওয়া গেছে। কিন্তু আজ সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জানিয়েছে ২০১৯ এর আগে কিছু করা যাবে না, এটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটু হলেও বিচারক বিরোধী মন্তব্য শোনা যাচ্ছে।

গতকাল মাত্র ৩ মিনিটে রামমন্দির ইস্যুকে পিছিয়ে দিয়ে আজ আবার রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি ইস্যুকে পিছিয়ে দিয়েছেন আদালতের বিচারপতি। আদালতের বিচারপতির কাছে এই বিষয়গুলি এতটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। এগুলোর জন্য আদালতের বিচারপতি সময় দিতে চান না। কিছুদিন আগে সাবরিমালা ইস্যুতে হিন্দু মন্দিরের নিয়ম ভেঙে ফেলার সময়েও বিচারকের কাছে সময় ছিল।
তবে, জানিয়ে রাখা ভালো, অর্বান নকশালী, আতঙ্কবাদী ও পাদরিদের জন্য আদালতের বিচারপতিদের কাছে সময় রয়েছে এমন দাবি উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

আসলে পর পর দুদিন বিচারকের সিধান্ত এর জন্য অনেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোপ প্রকাশ করতে শুরু করেছে। জাস্টিস রঞ্জন গগৈ এর বাবা একজন কগ্রেস নেতা ছিলেন তাই উনি সমস্থ গুরুত্বপূর্ণ শুনানি ২০১৯ এ করে দিচ্ছেন, এমন অভিযোগ অনেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলেছে। ভারতে বরিষ্ঠতার ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নিয়োগ করা হয় এই নিয়মকে বদলে ফেলার জন্যেও অনেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় মুখ খুলেছেন।