Press "Enter" to skip to content

দেশপ্রেম জাগিয়ে সুরাটের কাপড়ের ব্যাবসায়িরা নিলো চরম পদক্ষেপ, এবার পাকিস্তানের কাপড়ের বাজারেও লাগছে আগুন

দেশের সবথেকে বড় মানব নির্মিত কাপড়ের বাজারের এক্সপোর্টার্সরা পাকিস্তানে কাপড় রপ্তানি না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সুরাটের ব্যাবসায়ীরা এই সিদ্ধান্ত পুলওয়ামা হামলার পর নিয়েছে। এরফলে পাকিস্তানের দুটি বৃহৎ কাপড়ের বাজারের অবস্থা শোচনীয় হয়ে যাবে। লাহোর এর পাকিস্তান আজম কাপড়ের বাজার আর করাচির লখনউ বাজার পুরোপুরি সুরাট থেকে যাওয়া কাপড়ের উপর নির্ভর করে।

সুরাটের শাড়ি, পলেস্টার ফেব্রিক, লহেঙ্গা আর ওড়নার পাকিস্তানের বিশাল বাজার আছে। লাহোর আর করাচির এই বাজারে অনেক দোকানে বোর্ড লাগানো আছে যে, তাঁদের কাছে সুরাট থেকে কাপড় আসে। আর সুরাটের নাম দেখেই গ্রাহকেরা কাপড়ের দোকানে ভিড় লাগায়।

Southern Gujarat Chamber Of Commerce And Industry (SGCCI) এর চেয়ারম্যান দেবকিষাণ মাঙ্ঘানি বলেন, সুরাটের এক প্রতিনিধি দল গত বছর পাকিস্তানের আজম আর লখনউ বাজারের সফরে গেছিলেন। সেখানে প্রচুর দোকানদার আমদের থেকে সস্তায় শাড়ি, লেহেঙ্গা এবং অন্যান্য জিনিষ কিনে চড়া দামে বিক্রি করে। আর আমরা যদি ওদের কাঁচামাল পাঠানো বন্ধ করে দিয়, তাহলে ওদের ব্যাবসা পণ্ড হয়ে যাবে।

সুরাটের কোম্পানির সাথে চুক্তি করা বিদেশী কোম্পানি গুলো ভারতের পক্ষ নিয়ে পাকিস্তানে পাকিস্তানে ভারতীয় সামগ্রী পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছে। সুরাটের লক্ষিপতি গ্রুপের এমডি সঞ্জয় বলেন, ওনার কোম্পানি এক আমেরিকান কোম্পানি দ্বারা ম্যানুফ্যাকচার করা ফাইবার ব্যাবহার করে।

আর ওই আমেরিকান কোম্পানি আমাদের বানানো কাপড় পাকিস্তানে পাঠায়। আমরা যখন ওই কোম্পানিকে পাকিস্তানে মাল না পাঠানোর কথা বলি, তখন ওরা সাথে সাথে রাজি হয়ে যায়। কোম্পানি দুদিন আগেই পাকিস্তানে তাঁদের সেলস অফিস বন্ধ করে দিয়েছে।

সিন্থেটিক এন্ড রেয়ার্ন্স এক্সপোর্ট প্রোমোশন কাউন্সিল SRTEPC এর অনুযায়ী ২০১৬-১৭ সালে ভারত ৮৮৭ কোটি টাকার মানব নির্মিত ফেব্রিক পাকিস্তানে এক্সপোর্ট করেছিল। ২০১৭-১৮ সালে ওই এক্সপোর্ট ৯৫৮ কোটি টাকার হয়ে যায়। ২০১৮-১৯ এর ডিসেম্বর মাসে এক্সপোর্ট কমে ৬২৪ কোটি টাকার হয়ে যায়। এখন আরও কম হবে।

SRTEPC এর চেয়ারম্যান নারায়ণ আগরবাল বলেন, পুলওয়ামা জঙ্গি হামলার পর ভারত আর পাকিস্তানের মধ্যে টেক্সটাইল ট্রেড শেষ হয়ে যায়। দেশের টেক্সটাইল সেক্টর শহীদ জওয়ানদের পাশে আছে। উনি বলেন, কোন ভারতীয় টেক্সটাইল ব্যাবসায়িকেই পাকিস্তানের সাথে ব্যাবসা করা উচিৎ না।

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.