Press "Enter" to skip to content

শুধু পাকিস্তানই না, ভারতের পাল্টা হামলার ভয়ে কাঁপছে এরাও

গতকাল পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলায় ভারতের ৪৪ জওয়ান শহীদ হয়েছেন। আহত অনেক। যদিও এখনো অফিসিয়ালি পুরো ডেটা পাওয়া যায়নি। এই হামলার পর গোটা দেশ যেমন শোকে কাতর, তেমনই ক্ষোভে ফেটে পরেছে জঙ্গি আর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। শুধু ভারতই না, বিদেশ থেকেও এই ঘটনার চরম নিন্দা করা হয়েছে।

ভারতের প্রকৃত বন্ধু বলে পরিচিত ইজরায়েল, আমেরিকা, রাশিয়ার মত তাবড় তাবড় দেশ গুলো ভারতের পাশে দাঁড়িয়ে জঙ্গি মোকাবিলায় ভারতের সাহাজ্য করবে বলে জানিয়েছে। তাছাড়াও জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, নেপাল, ভূটান, বাংলাদেশ, মালদ্বীপ ও ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে।

কিন্তু সন্ত্রাসবাদের আঁতুড়ঘর পাকিস্তান এই হামলার দায় নিজের ঘাড় থেকে ঝেড়ে ফেলতে চেয়েছে। আরেকদিকে ভারতের আরেক প্রতিবেশী চীন ও ভারতের বিরুদ্ধে গিয়ে জৈশ এ মোহম্মদ এর প্রধান আজহার মাসুদকে জঙ্গি তকমা দিতে নারাজ। যদিও এই দুই দেশ কি করল, কি না করল সেটা নিয়ে যায় আসেনা ভারতের।

এই হামলার পর আমাদের প্রধানমন্ত্রী সেনাকে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়ে বীর জওয়ানদের বলিদানের বদলা নেওয়ার কথা বলেছেন। উনি বলেছেন, ‘যারা এই হামলা করেছে খুব ভুল করেছে, তাঁদের যোগ্য সাজা তাঁদের দিতে হবেই” এমনকি উনি এই হামলা নিয়ে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা দিয়েছেন।

নরেন্দ্র মোদীর এই হুঁশিয়ারির পর নড়েচড়ে বসেছে ভারতে বসবাসকারী মোদী বিরোধী পাক প্রেমীরা। তাঁদের মাথায় এটা ঢুকে গেছে যে, উরি হামলার জন্য ভারত স্যার্জিক্যাল স্ট্রাইক করেছিল। এবার পুলওয়ামা হামলার জন্য আরও বেশি কিছু করতে পারে। তাই তাঁরা এখন থেকেই ভারতকে মানবিক হওয়ার আবেদন জানাচ্ছেন।

এতদিন ধরে যারা প্রতিটা পদক্ষেপে মোদী সরকার এবং সেনার বিরুদ্ধে কথা বলত। আজ তাঁরাই সেনা আর সরকারকে মানবিক হওয়ার আবেদন জানাচ্ছেন। তাঁদের এখন প্রধান বক্তব্যই হল, ৪৪ জন জওয়ান আর ফিরে আসবেনা। তাই বদলা নিয়ে কি হবে? বরঞ্চ কথা বলে এই সমস্যার সমাধান করা উচিৎ।

এই মানবিক হওয়ার আবেদন এসেছে মোদী বিরোধী মানুষ গুলোর তরফ থেকেই, তাঁদের মধ্যে প্রধান হল ‘ প্ল্যাকার্ড গার্ল গুরমেহর কৌর এর স্বঘোষিত মানবতাবাদী সংস্থা দ্য ভয়েস অফ রাম“। আম আদমি পার্টির নেতা আশুতোষ, এবং গুরমেহর কৌর নিজেও। তাছাড়াও রয়েছেন কংগ্রেস নেতা সিধু, কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি এবং আরও অনেকে।

এখন এদের মধ্যে মানবতা উথলে পরছে। কিন্তু কথা হল, এদের মত মানবতা মেনে চললে কি আমাদের জওয়ান গুলো আর ফিরে আসবে? পিছন থেকে ছোড়া মারলে তাঁর জবাব দেওয়া হবেনা? আজ যদি পাকিস্তানকে এর যোগ্য জবাব না দেওয়া হয়। তাহলে আবারও পাকিস্তান এরকম ঘটনা ঘটাবে। কিন্তু আজ যদি ওদের যোগ্য জবাব দিয়ে কোমর ভেঙে দেওয়া হয়, তাহলে এরকম কিছু করতে ওরা ১০০ বার ভাববে।

আজ পাকিস্তান সমেত গোটা জঙ্গি সংগঠন গুলোই ভারতের পাল্টা আক্রমণের জন্য ভয়ভীত। আর এরাও মানবতার আড়ালে পাকিস্তানের ক্ষতি নিয়ে ভয়ভীত। এরা চায়না, পাকিস্তানের এমন কিছু হোক যাতে ওরা আর না উঠে দাঁড়াতে পারে। তাই এরা এখন মানবতার মুখোশ পরে শান্তির বার্তা দিতে এসেছে। তবে আমাদের সেনার জওয়ানদের বীরত্বের উপর কোন সন্দেহ নেই। ওরা এর যোগ্য জবাব দেবেই। এবার স্যার্জিক্যাল স্ট্রাইক না… বড়সড় কিছু হওয়ার আশায় আছে ভারত।

7 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.