Press "Enter" to skip to content

হিন্দুত্বের স্তম্ভ স্বামী বিবেকানন্দ ভেঙে দিয়েছিলেন আমেরিকানদের অহংকার! আজকেই উনার মৃত্যু বার্ষিকী।

যে মহান ব্যাক্তির আজ মৃত্যুবার্ষিকী উনার বিচার সিদ্ধান্ত আজও আমাদের সমাজের মধ্যে বেঁচে রয়েছে। উনার নাম () , যিনি ভারতের হিন্দু সমাজকে এমন দিশা দেখিয়েছিলেন যা আজও গতিমান। স্বামী বিবেকানন্দ দুরর্দশী এবং উচ্চ বিচার সম্পন্ন ব্যক্তিত্ব ছিলেন। ভারতে হিন্দুদের ধর্ম পরিবর্তন করানোর বিষয়ে উনি সমাজকে সচেতন করে বলেছিলেন, হিন্দুদের ধর্মান্তরন এর অর্থ শুধু একটা হিন্দু কমে যাওয়া নয়, একই সাথে একটা শত্রুর বৃদ্ধি হওয়া। জাত পাতের মধ্যে ফেঁসে যাওয়া হিন্দু সমাজকে বের করে আনার ভরপুর প্রয়াস করে ছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ। আজকের যুব সমাজ কালকের ভবিষ্যত, এটা মাথায় রেখে স্বামী বিবেকানন্দ যুব সমাজের সুপ্ত শক্তিকে বের করার প্রয়াস করতেন।

স্বামী বিবেকানন্দ এর জন্য ১২ ই জানুয়ারি ১৮৬৩ সালে হয়েছিল। উনাকে বাড়ির সকলে নরেন্দ্র বলে ডাকত। উনার বাবা উনাকে ইংরাজি শিক্ষা দিয়ে পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু  ভারতীয় শিক্ষা ও সংস্কৃতির প্রতি উনার আগ্রহ তীব্র ছিল। খুব কম বয়সে উনি হিন্দুদের মোক্ষ লাভের ধারণা বুঝতে পেরেছিলেন। শৈশব থেকে উনি খুবই প্রখর বুদ্ধিমান এবং দয়ালু ছিলেন। এক সময় উনার পারিবারিক অবস্থা খুবই খারাপ হয়ে পড়েছিল কিন্তু সেই স্থিতির সাথে লড়াই করেও উনি নিজের আধ্যাত্মিক শক্তিকে বৃদ্ধি করে ছিলেন।

জানিয়ে দি, ভারত এক সময় বিশ্বগুরু ছিল এটা যেমন ঠিক, তেমনিভাবে কালচক্রে পড়ে ভারত জাত পাতের মধ্যে আটকে পড়েছিল। ভারতে লাগাতার বৈদেশিক শাসনের ফলে দেশ অভ্যন্তরীণভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছিল। পাশ্চাত্যের দেশগুলো ভারতীয়দের পিছিয়ে পড়া জ্ঞানহীন মনে করতে শুরু করেছিল। ঠিক সেই সময় ১৮৯৩ সালে শিকাগোতে যে ধর্মসম্মেলন হয়েছিল তাতেই পৌঁছেছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ। সেখানে স্বামীজী যা ভাষণ দিয়েছিলেন তা আজও স্বর্ণাক্ষরে লেখা রয়েছে। বিলাসবহুল জীবন ছেড়ে কিভাবে সমাজের জন্য নিজেকে কাজে লাগানো যায় সেই শিক্ষা মানুষকে দিতেন স্বামী বিবেকানন্দ। বেদ ও মোক্ষ লাভের উপর স্বামী বিবেকানন্দের শিক্ষা আজও সমাজকে দিশা দেখায়। আমেরিকায় গিয়ে বেশ কিছু বিদ্বান ব্যাক্তির অহংকার পর্যন্ত ভেঙে দিয়েছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ। স্বামী বিবেকানন্দ আধ্যাতিক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে একটা বই মাত্র হাতে নিয়েই তার সমস্থ তথ্য গ্রহণ করে নিতে পারতেন। এই শক্তি দেখে আমেরিকার দার্শনিকরা উনার উপর খুব ঈর্ষা করতেন। আজকের দিনে ৪ই জুলাই ১৯০২ সালে উনি দেহ ত্যাগ করেন। আজকে উনার মৃত্যুবার্ষিকীতে India Rag এর তরফ থেকে জানাই কোটি কোটি প্রমান।