ভাইরাল ছবি নিয়ে সেনাদের অপমান করেছিলেন বামপন্থী নেত্রী কবিতা কৃষ্ণান, তারপর সাহসী মহিলা সাংবাদিক যা জবাব দিলেন…

ভারতীয় সেনা জম্মুকাশ্মীরে অপারেশন অল আউট চালিয়ে জঙ্গি সাফাই এর কাজ করেই চলেছে। বিগত ২ বছরে সেনা মারাত্বকভাবে আতঙ্কবাদী সাফাই চালাচ্ছে। যদি পরিসংখ্যার দিকে লক্ষ করা হয় তাহলে দু বছর মোট ৩৬০ আতঙ্কবাদীকে মেরে ফেলা হয়েছে এই কাজ এখনো জারি রয়েছে। ভারতীয় সেনা জওয়ানদের এক ছবি সম্পতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে পড়েছে এবং একই সাথে চর্চায় রয়েছে। ছবিতে যা দেখা গেছে তা নিয়ে যেমন একদিকে দেশপ্রেমীদের মধ্যে আনন্দ দেখা গিয়েছে তেমনি দেশদ্রোহীরা এই ছবি নিয়ে সেনা বিরোধিতায় নেমে পড়েছে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে সেনা এক ব্যক্তিকে দড়ি বেঁধে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। আসলে এই ব্যাক্তি একজন পাকিস্থানি জঙ্গি। কিছু বামপন্থী নেতা নেত্রী, মানবঅধিকার কার্যকর্তা, বুদ্ধিজীবী সকলে মিলে এই ছবি নিয়ে সেনার বিরোধীতা শুরু করেছে। বামপন্থী নেত্রী কবিতা কৃষ্ণান বলেছেন সেনা খুব বর্বরতার সাথে কাজ করছে।

কবিতা কৃষ্ণান পাকিস্থানি জঙ্গিকে ক্লিন চিট দিয়ে তাকে কাশ্মীরি বলেও দাবি করেছেন। বামপন্থী নেত্রী, সেনাকে নিষ্ঠুর ও বর্বরতা বলে দাবি করেছে। এই নেত্রী দেশের মিডিয়ার কাছে বুদ্ধিজীবী বলেও পরিচিত। ঘটনাটি দক্ষিন পশ্চিম কাশ্মীরের এক গ্রামে হয়েছে যেখানে এই পাকিস্থানি জঙ্গি ভারতীয় সেনাদের হত্যা করার লুকিয়ে ছিল। সেনা অপারেশন চালিয়ে জঙ্গিকে মেয়ে ফেলে এবং জঙ্গির দেহে বিস্ফোটক বোমা থাকতে পারে এই সন্দেহে তাকে দড়ি দিয়ে টেনে আনে।

কিন্তু বামপন্থী নেত্রী বিষয়টিকে নিয়ে সেনার অপমান করতে শুরু করে দেয়। কিন্তু যেহেতু দেশের বেশিরভাগ মিডিয়া বামপন্থীদের কবলে তাই দু একটা মিডিয়া ছাড়া কেউই কবিতা কৃষ্ণানের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানায়নি। তবে, পাকের মধ্যেই পদ্ম ফোটে। কবিতা কৃষ্ণানের টুইটের প্রতিবাদে মুখ খোলেন আজ তাকের মহিলা সাংবাদিক শ্বেতা সিং। শ্বেতা সিং বামপন্থী কবিতা কৃষ্ণানকে বলেন, দিদি আপনার ব্রাঞ্চ পাকিস্থানে আছে নাকি এখন থেকেই কাজ করে? কারণ এটা পাকিস্থান থেকে ইমপোর্ট করা একজন আতঙ্কবাদী।

শ্বেতা সিং আরো বলেন, মানব অধিকার মানবের হয়, দানবের দানবধিকার হয়ে থাকে, যার ম্যানুয়াল ভারতীয় সেনার কাছে রয়েছে। শ্বেতা সিং এর এই জবাবের কোনো উত্তর দিতে পারেনি বুদ্ধিজীবী ও বামপন্থী নেতা শ্বেতা সিং। জানিয়ে দি, এই বুদ্ধিজীবী বা মানবাধিকারিকরা সাধারণ মানবের অধিকারের জন্য গলার আওয়াজ বের না করলেও যতবার জঙ্গি মারা যায় ততবার নিজেদের গুহা থেকে বেরিয়ে এসে প্রতিবাদ শুরু করে দেয়।

you're currently offline

Open

Close