Press "Enter" to skip to content

নরেন্দ্র মোদীর এন্ট্রির সাথে সাথেই বড়সড় স্যার্জিক্যাল স্ট্রাইক হল কালোধনে, তথ্য সামনে আনলো সুইস ব্যাংক

প্রধানমন্ত্রী () এখনো শপথ নেননি, আর তাঁর আগেই বড়সড় সাফলতা অর্জন করে ফেললেন তিনি। ির মহাবিজয়ের সাথে সাথেই সুইস ব্যাংক (Swiss Bank) ভারত সরকারের সাথে হওয়া চুক্তি অনুযায়ী দ্রুত গতিতে পদক্ষেপ নেওয়ার কাজ শুরু করে, ১১ জন ভারতীয়র নাম প্রকাশ করেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রথম থেকেই কালোধন () নিয়ে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার কাজ করেছিলেন। আর এখন প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ গ্রহণের আগেই কালোধনের মালিকদের উপর স্যার্জিক্যাল স্ট্রাইক শুরু হয়ে গেছে।

২০১৪ এর ে কালোধন সবথেকে বড় ইস্যু ছিল, আর সেই ইস্যুকে হাতিয়ার করে মোদী সরকার বড়সড় সাফলতা অর্জন করেছে। ২০১৪ সালে সম্পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতার সরকার হওয়ার পর, প্রথম ক্যাবিনেট মিটিংয়ে কালোধনের বিরুদ্ধে স্পেশাল টিম বানানোর আদেশ দিয়েছিলেন তিনি। আর এরপর থেকেই মোদী সরকার বারবার কালোধনের ধারকদের বিরুদ্ধে অ্যাকশন নিয়েছে। আর এর জন্য মোদী সরকার Black Money (Undisclosed Foreign Income and Assets) আইন বানিয়েছিল। এই আইন বিদেশে থাকা কালোধন ভারতে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যেই বানানো হয়েছিল।

এরপর ৬৪০ জন ব্যাক্তির ৪১০০ কোটি টাকার বিদেশী আয়ের তথ্য সামনে এসেছিল। আর মোদী সরকার তাঁর পাঁচ বছরের কার্যকালে লাগাতার এই বিষয়ের উপর কড়া পদক্ষেপ নিয়ে এসেছে। এবার এ অভূতপূর্ব জয়ের পর আবারও মোদী সরকার গঠন হতে চলেছে। আর নরেন্দ্র মোদীর প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার আগেই কালোধনে স্যার্জিক্যাল স্ট্রাইক হয়ে গেলো। সুইস ব্যাংক ১১ জন ভারতীয়র নাম জারি করেছে। তাঁদের সবাইকে নোটিশ জারি করে শীঘ্রই জবাব দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

আপনাদের জানিয়ে রাখি যে, ২০১৮ সালে একটি রিপোর্ট জারি হয়েছিল যার মধ্যে সুইস ব্যাংক অফ ঈন্টারন্যাশানাল সেটেলমেন্ট (BIS) এর পরিসংখ্যানের মাধ্যমে বলা হয়েছিল যে, ২০১৩ থেকে ২০১৭ এর মধ্যে ভারতীয়দের তরফ থেকে নন ব্যাংকিং লোন আর ডিপোজিটে ৮০.২ শতাংশ হ্রাস দেখা গেছিল। আর এরপর এটা পরিস্কার যে, মোদী সরকার লাগাতার কালোধনের উপর কড়া পদক্ষেপ নিয়ে এসেছে আর এটা ২০১৯-২০২৪ এর মধ্যে আরও কড়া হতে চলেছে। এর আগেও মোদী সরকার কালোধনের মালিকদের উপর পদক্ষেপ নিয়ে গোটা দেশে নোটবন্দি চালু করেছিল। এবং মোদী সরকারের এই পদক্ষেপে দেশের মানুষ ওনাকে সমর্থনও করেছিল।

 

Comments are closed.