Press "Enter" to skip to content

প্রস্তুত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ড্রিম প্রজেক্ট! বিশ্বের সবথেকে উঁচু স্ট্যাচু তৈরি করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিল ভারত।-Bengali News

প্রধানমন্ত্রী গুজরাটের প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন একটা স্বপ্ন দেখেছিলেন, যা এখন পূরণ হতে চলেছে। স্বপ্নটি ছিল ভারতের লৌহ পুরুষ বল্লভভাই প্যাটেলের সবথেকে উঁচু প্রতিমা নির্মাণ নির্মাণ। বিশ্বের সবথেকে উঁচু প্রতিমা নির্মাণের এই স্বপ্ন উনি ২০১০ সালে দেখেছিলেন।২১ অক্টোবর অর্থাৎ সর্দার প্যাটেলের জয়ন্তীর দিন প্ৰধানমন্ত্রী এই মূর্তির লোকারপর্ণ করবেন । এই প্রতিমার ৯০% কাজ সম্পুর্ন হয়েছে। এই স্মারকের নাম দিয়েছেন স্ট্যাচু অফ ইউনিটি। ১৮২ মিটার উঁচু এই প্রতিমার নির্মাণ নর্মদা নদীর সর্দার সরোবর বাঁধের কাছে সাধুভেট পাহাড়ের মধ্যে করা হয়েছে। স্ট্যাচু অফ ইউনিটি আমেরিকার স্ট্যাচু অফ লিবারিটির থেকে দ্বিগুণ উঁচু, ব্রাজিলের ক্রিস্ট অফ রেডিমির থেকে ৪ গুন উঁচু হবে। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে মেক ইন ইন্ডিয়ার উপর জোর দিতে শুরু করেছিলেন।

কিন্তু বিরোধীদের দাবি ছিল এই মূর্তি নির্মাণের কাজ চাইনা কোম্পানিকে দেওয়ার হয়েছে। পরে জানা যায় এই মূর্তির সমস্থ অংশ মেক ইন ইন্ডিয়া শুধুমাত্র বাইরের একটা আবরণ চীন কোম্পানি করবে কারণ এটা নির্মাণ করার মতো আর্ট ভারতের কোনো কোম্পানির কাছে নেই। ২০১৪ সালে সরকার প্রতিমা নির্মাণের ঠিকা একটা মাল্টি ফ্রম কোনস্টডিয়ামকে দিয়েছিল। এই কোনস্টডিয়ামতে সেই সব কোম্পানি সামিল ছিল যাদের কাছে বিশ্বের সবথেকে উঁচু ইমারত বুর্জ খলিফা তৈরির অভিজ্ঞতা রয়েছে।

অন্যদিকে “L & T” কোম্পানির অভিজ্ঞতা দেখে এক্সজিসিউটিং ফ্রমের রূপে জুড়ে দেওয়া হয়েছিল। এর কন্সট্রাশনকে ৪ টি স্টেজে করা হয়েছিল। স্ট্যাচুর মূল শরীর কংক্রিট ও স্টীল দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল। আধিকারিকদের মতে এটা মেক ইন ইন্ডিয়ার প্রজেক্ট কিন্তু এত বড় একটা প্রজেক্ট এ কাজ করতে হলে সামান্য বিদেশি কোম্পানীদের সাহায্য নেওয়া হলে সেটা নিয়ে ইস্যু গড়ে তোলা উচিত নয়। এই স্ট্যাচুর জন্য মোট ২৯৭৯ কোটি টাকা খরচ হচ্ছে।

উচ্চতা ১৮২ মিটার রাখা হয়েছে কারণ গুজরাটে ১৮২ বিধানসভা আসন রয়েছে। প্রতিমার সাথে এখানে একটা প্রদর্শনী বিল্ডিং তৈরি করা হয়েছে। যেখানে প্যাটেলের সাথে জুড়ে থাকা সংগ্রাহলয় ও মেমোরিয়াল রয়েছে। স্ট্যাচু অফ ইউনিটি প্রত্যেক ভারতীয়কে গৌরবময় করবে। আর পরবর্তীকালে বিশ্বে পর্যটকদের নিজের দিকে টেনে আনবে। ভবিষ্যতে এটা ভারতের একটা ঐতিহ্যবাহী স্মারকে পরিণত হবে। কংগ্রেস বরাবর বল্লভ ভাই প্যাটেলকে এড়িয়ে গিয়ে পুরো দেশে গান্ধী/ নেহেরু পরিবারের নাম ছড়িয়েছে কিন্তু এখন প্রধানমন্ত্রী মোদী যোগ্য ব্যক্তিত্বকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে শুরু করেছেন।