Press "Enter" to skip to content

তৃণমূল সরকারকে, পাকিস্থানের সরকারের সাথে তুলনা করে বিখ্যাত লেখিকা তসলিমা যা বললেন তা লজ্জায় ফেলবে তৃণমূল সমর্থকদের।

বাংলাদেশি লেখিকা । যিনি বরাবর মুসলিম সমাজের ভুলগুলি চোখে হাত দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন। এই জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে দেশ ত্যাগ করতে বাধ্য করে। তারপর তিনি আশ্রয় নিয়েছিলেন ভারতবর্ষে। কিন্তু এখানে থেকেও তিনি অন্যায়ের প্রতিবাদ করে যাচ্ছেন। এবার সেই বাংলাদেশি লেখিকা কে পাওয়া গেল অন্য ভূমিকায়। উত্তর দিনাজপুরের দারিভিটেতে দু দিন আগে বাংলা ভাষার শিক্ষক চেয়ে প্রান হারিয়েছে ২ জন ছাত্র। সেই ছাত্র মৃত্যুকে নিয়েই এবার বিস্ফোটক হয়ে উঠলেন এবার বোমা ফাটালেন টুইটারে। এবার তিনি সরাসরি পাকিস্তান সরকারের সাথে তুলনা করলেন মমতা ব্যানার্জির তৃণমূল সরকারকে। এই দিন তিনি ট্যুইট করে সবাই কে মনে পড়িয়ে দেন তাদের দেশের অর্থাৎ বাংলাদেশের সেই পুরোনো কথা।

তিনি এদিন বলেন যে, পাকিস্তান সরকার ১৯৫২ সালে জোরপূর্বক আমাদের বাংলাভাষী মুসলিমদের উপর চাপিয়ে দিতে চেয়েছিল উর্দু ভাষাকে। তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে আমাদের জাতীয় ভাষা করে দেওয়া হবে উর্দু ভাষা। কিন্তু সেইদিন পাকিস্তানের সেই অত্যাচার আমরা মেনে নিই নি। আমরা সকল বাংলাভাষী মানুষ তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিলেম। সেই জন্য পুলিশ আমাদের উপর গুলি চালিয়ে ছিল। প্রান গিয়েছিল অনেক মানুষের। সেই দিন আমাদের গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল।

তারপর তিনি লেখেন যে, সালটা ২০১৮ আমাদের স্কুলে বাংলার শিক্ষক নেই আমরা পশ্চিমবঙ্গ সরকার কে জানালাম কিন্তু বাংলার বদলে পশ্চিমবঙ্গ সরকার উর্দূ শিক্ষক নিয়োগ করল আমাদের স্কুলে। আমরা প্রতিবাদ জানালে আমদের একজন ছাত্রকে গুলি করে হত্যা করিয়ে দেওয়া হল রাজ্য সরকারের নির্দেশে। ঠিক এই ভাবে ছাত্রছাত্রীদের ভাষাতেই তিনি তার ট্যুইটারে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এই ভাবেই তিনি দারিভিট হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানালেন।

তার এই পোস্ট কে ঘিরে কিছুটা বিতর্ক হলেও সবার মনের ভিতর জ্বলজ্বল করছে তার এই প্রতিবাদের দিক গুলি।তিনি বরাবর মুসলিম মৌলবাদীদের কুকাজের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন সেই জন্য বাম আমলে তাকে রাজ্য ছাড়া হতে হয়। কিন্তু তৃনমূল আসার পরও তিনি এই রাজ্যে ফিরে আসতে পারেন নি কারন মমতা ব্যানার্জির মুসলিম তোষন। তিনি এর আগেও অনেকবার বর্তমান রাজ্য সরকারের মুসলিম তোষন নিয়ে মুখ খুলেছেন।
#অগ্নিপুত্র