“তাজমহল একটা হিন্দু মন্দির”- অধ্যাপক মারভিন মিলস, বিখ্যাত আমেরিকান স্থাপত্যবিদ।

স্বাধীনতার পর থেকে জালি ইতিহাসবিদরা ভারতের পাঠ্যবই ভুয়ো ইতিহাসে ভরিয়ে দিয়েছে। এগুলোও সমস্থ কিছুই ইংরেজ ও কংগ্রেসের ইশারায় হয়েছে। রামিলা থাপার, রামচন্দ্র গুহ, ইরফান হাবিবের মতো জালি ইতিহাসবিদদের লেখা বই আজও ভারতের স্কুল, কলেজে পড়ানো হয়। জালি ইতিহাসবিদরা ভারতের ছাত্রসমাজের এমন অবস্থা করেছে যে এখন ছাত্ররা আতঙ্কবাদি ঔরঙ্গজেব থেকে আতঙ্কবাদী বাবরের ৭ পুরুষের নাম বলে দেবে কিন্তু সম্রাট অশোকের পিতার নামও বলতে পারবে না। জালি ইতিহাসবিদরা ঘোষণা করেছে যে তাজমহল শাহাজাহানের দ্বারা নির্মিত ইমারত। এর পরিপ্রেক্ষিতে মনগড়া গল্পও লিখে দেওয়া হয়েছে কিন্তু কোনো প্রমাণ আজ অবধি দেখাতে পারেনি। আসলে শাহাজাহানের জন্মের আগে থেকে তাজমহল ছিল। প্রফেসর পি.এন ওক, নেহেরুকে একটা রিপোর্ট দিয়েছিল যেখানে বলা হয়েছিল তাজমহল একটা হিন্দু মন্দির, এটার গোপন কক্ষ খোলা হোক।

নেহেরু বলেছিলেন এটা করা যাবে না। সেই সময় থেকে আজও অবধি তাজমহলের গোপন কক্ষ বন্ধ অবস্থায় রয়েছে। বলা হয়, যে গোপন কক্ষকে খুলতে দেওয়া হয় না সেখানে আজও বহু মূর্তি রয়েছে। আসলে আজকের তাজমহল , তেজমহালয় নামে মন্দির ছিল। যার উপরের অংশ আরবি আক্রমণকারী ও অন্যান বিদেশীদের দ্বারা নষ্ট করে গুম্বজ লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই বিদেশী আক্রমণকারীরা এটাকে ইসলামিক কবরস্থান প্রমান করার জন্য বিল্ডিং এর উপরে নানা আরবি শব্দ লিখেছিল কিন্তু হিন্দু মন্দিরের চিন্হ আজও রয়ে গেছে।

আজও তাজমহলে কলস, কমল, ওঁম সহ নানা হিন্দু চিন্হ রয়েছে। আমেরিকার বিখ্যাত আর্কিটেক অধ্যাপক মারভিন মিলস তাজমহলের উপর গবেষণা করেছেন এবং এটাকে হিন্দু ইমারত বলে ঘোষণা করেছেন। মারভিন মিলসের রিপোর্ট নিউইয়র্ক টাইমসেও প্রকাশিত হয়েছিল। মারভিন মিলস তার রিপোর্টে লিখেছেন তাজমহল একটা হিন্দু ইমারত যার উপর বিদেশী ইসলামিক জিহাদিরা আক্রমণ করে কবরস্থানের রূপ দিয়ে দিয়েছে। কোনো বস্তু, পাথর, ইমারত কতটা পুরানো সেটা নির্ণয় করার জন্য কার্বন ডেটিং করা হয়। কার্বন ডেটিং প্রক্রিয়ায় সমস্ত রকমের পুরানো পদার্থের বয়স নির্ণয় করা সম্ভব।

কার্বন ডেটিং এ এটা স্পষ্ট প্রমাণিত হয়েছে যে তাজমহলের পাথর ১৩ শতাব্দীর যখন শাহাজাহান তো দূর বাবরের জন্ম হয়নি। প্রফেসর মিলস এটাও বলেছেন, যে তাজমহল দেখে যে কেউ বলে দিতে পারবে যে এটা ইসলামিক ইমারত নয় কারণ ইসলামিক ইমারত মক্কার দিক দিশা করে তৈরি করা হয় কিন্তু তাজমহলে তৈরি করা মসজিদ ওই দিশায় নেই। এছাড়াও তাজমহল যমুনা নদীর তীরে তৈরি কৰক হয়েছে যাতে ভগবান শিবের অভিষেক করা যায়, কবরস্থানে জলের কি প্রয়োজন হয়!

“taj mahal the illumined tomb” নামক বইতে প্রফেসর মারভিন মিলসের রিপোর্ট রয়েছে। আজও যেকোনো ভালো আর্কিটেককে তাজমহলের উপর তদন্ত করলে স্পষ্ট জানিয়ে দেবে যে তাজমহল আতঙ্কবাদীদের দ্বারা তৈরি কোনো ইসলামিক ইমারত নয় বরং এতো একটা হিন্দু মন্দির যেটাকে কবরস্থানে রূপান্তরিত করে দেওয়া হয়েছে।

you're currently offline

Open

Close