Press "Enter" to skip to content

বিদেশের মাটিতে বহু প্রাচীন এই গুহাতে হবে রাম মন্দির, কুম্ভ মেলার পরেই শুরু হবে নির্মাণ

জুনা আখাড়ার মহামন্ডেলশ্বর স্বামী উমাকানন্দ সরস্বতী কয়েক বছর আগে মরিশাসের পাহাড়ি এলাকায় Saswat International শান্তিনিকেতনের স্থাপনা করেছিলেন, তখন কেউ ভাবতেও পারেনি যে সেখানেই একটি বহু প্রাচীন গুহা পাওয়া যাবে। আনুমানিক দেড়শ মিটার দীর্ঘ এই গুহাকে দেখে মনে হয় যে, মনে হয় প্রকৃত এই গুহাকে নিজের হাতে বানিয়েছে। ওই গুহার পাহাড় থেকে একটা ছোট ঝর্না ও আছে।

ওই গুহায় কিছুক্ষণ বসলেই যেকোন ব্যাক্তি আধ্যাত্মিক শক্তি অনুভব করতে পারে। স্বামী উমাকানন্দ সেখানে প্রভু রামের জীবনের সমন্ধ্যে সুসজ্জিত মন্দির বানানোর জন্য নিজের ভক্তদের সাথে কথা বলেন। সেখানে এই কাজ করার জন্য প্রধানমন্ত্রী প্রবিন্দ জুগনাথ সরকারের কাছে অনুমতি চাওয়া হয়েছে। আর মরিশাস সরকার ও সেখানে প্রভু রামের মন্দির বানানোর জন্য অনুমতি দিয়ে দেয়। প্রধানমন্ত্রীর পিতা অনিরুদ্ধ জুগনাথ ও মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অনিরুদ্ধ এবং ওনার স্ত্রী সরোজিনী স্বামী উমাকানন্দ এর থেকে দীক্ষা নিয়েছিলেন। অনিরুদ্ধ আর সরোজিনী ও সেখানে প্রভু রামের মন্দির নির্মাণের জন্য সরকারকে সুপারিশ করেছে। ওই গুহাতে রামায়ণ সমন্ধ্যে তথ্য, মূর্তি এবং রামায়ণ সমন্ধ্যে পাথরে মূর্তি আঁকা হবে।

উমাকানন্দ বলেন, তিনি ভারত থেকে মরিশাস পর্যন্ত অযোধ্যায় রাম মন্দির বানানোর জন্য আন্দোলন করছেন। মরিশাসে ওনার হাজার হাজার সমর্থক আছে। আর সেই ভক্তরাও অযোধ্যায় রাম মন্দির বানানোর জন্য অপেক্ষা করছে। আর তাঁরা অযোধ্যায় রাম মন্দিরে ভগবান শ্রী রামের আরাধনা করার জন্য মুখিয়ে আছে।

মরিশাসে বহু প্রাচীন এই গুহাতে প্রস্তাবিত রাম মন্দির প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অনিরুদ্ধ জুগনাথ এর স্ত্রী সরোজিনী এর নামে হবে। স্বামী উমাকানন্দ সেখানে রাম মন্দির বানানোর প্রস্তাব দেওয়া মাত্রই সরোজিনী ওনার অনেক সাহাজ্য করেন। সরোজিনী আর অনিরুদ্ধ জুগনাথের প্রয়াসের কারণেই মন্ত্রীমণ্ডল থেকে রাম মন্দির বানানোর প্রস্তাব পাশ হয়। আর এই জন্যই সরোজিনী এর নামেই সেখানে এই রাম মন্দির হবে।

7 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.