Press "Enter" to skip to content

মোদীর প্রশংসায় মুখরিত ব্রিটেনের বিখ্যাত মেডিক্যাল পত্রিকা! মোদীর সম্পর্কে পত্রিকা যা দাবি করলো জানলে…

দেশ মোদীর নেতৃত্বে এগিয়ে চলেছে একথা নতুন করে জানানোর কিছু নেই। বর্তমানে আর্থিক ব্যাবস্থার দিক থেকে পঞ্চম স্থানে চলে এসেছে। এটা থেকেই বোঝা যায় যে কত দ্রুত বিকাশ করছে। আর্থিক দিক থেকে ব্রিটেনকে পেছনে ফেলে দিয়েছে এখন রুশকে টক্কর দেওয়ার জন্য এগোচ্ছে । সেইদিন আর দূর নেই যখন পঞ্চম স্থান ছাড়িয়ে আরো উপরে উঠে আসবে। কংগ্রেস আমলে এই আর্থিক দিক থেকে নবম ও দশম স্থানে উঠা নামা করতো। এই সমস্ত কিছুই নরেন্দ্র প্রয়াসের ফল। তবে এই সকল প্রয়াস ছাড়াও আরেক বিশেষ প্রয়াসের জন্য এখন বিশ্ব জুড়ে মোদীর নাম ছড়িয়ে পড়েছে। মোদীর ও বিশেষ কাজের জন্য ব্রিটেনের এক বিখ্যাত মেডিক্যাল পত্রিকা মোদীর করেছে।ব্রিটেনের বিখ্যাত চিকিৎসা পত্রিকা মোদী সরকার দ্বারা ভারতে যে স্বাস্থ্যসেবার উন্নতি করা হচ্ছে তার সুনাম করেছে।

’ নামক একটা বিখ্যাত ব্রিটেন মেডিক্যাল পত্রিকা মোদী সরকারের ‘’ প্রকল্পের( পশ্চিমবঙ্গে মমতা ব্যানার্জীর সরকার চালু করতে দেয়নি) সম্পর্কে বলতে গিয়ে লিখেছে, ‘ ভারতের প্রথম এমন প্রধানমন্ত্রী যিনি সার্বভৌমিক স্বাস্থ্য কভারেজকে প্রাথমিকতা দিয়েছেন। শুধু এই নয় এই পত্রিকা রাহুল গান্ধীকে নিয়ে বলেছে, ‘ কংগ্রেরসে রাষ্ট্রীয় অধ্যক্ষ রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর থেকে অনেক পিছিয়ে রয়েছে। এই পত্রিকার প্রমুখ রিচার্ড হরতন বলেছেন, ভারতে স্বাস্থ্যব্যাবস্থার উন্নতির জন্য মোদী খুব প্রয়াস করেছেন এবং গুরুত্ব সহকারে কাজ করছেন।

অনেকে এই আয়ুষ্মান ভারত যোজনকে মোদী কেয়ার নামেও অভিহিত করেন। যদিও এই নামে দুটি কার্যক্রম শুরু করেছেন। এই স্বাস্থ্য সম্পর্কিত পরিষেবায় জনতা উত্তম পরিষেবা পাবেন এবং একই সাথে নিন্ম মধ্যবিত্ত মানুষদের খরচও কমে যাবে। বহু সমীক্ষা ও বিবেচনা করার পর সরকার এই পরিকল্পনা নিয়ে এসেছে যা দেশের ভবিষ্যৎ বদলে দেবে। এই প্রকল্পে সরকার বছরে এক একটি নিন্মমধ্যবিত্ত ও গরিব পরিবারের পেছনে স্বাস্থ্যের জন্য ৫ লক্ষ টাকা ব্যয় করবে। পরিবারের যেকোনো ব্যাক্তির অসুস্থতা দেখা দিলেই ওই ৫ লক্ষের মধ্যে থেকেই খরচ করা হবে । এমনকি যাতায়াত ব্যাবস্থা পর্যন্ত এই ৫ লক্ষ টাকা থেকেই কাটা হবে। যদি কেউ অসুস্থ না হয় তাহলে ৫ লক্ষ ব্যায় হবে না তথা সরকারের কাছেই থাকবে।

WHO অর্থাৎ ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন এই প্রকল্পের সুনাম করেছে। WHO এর দাবি এই প্রকল্প ভারতের ছবি ১০ বছরের মধ্যে বদলে দেবে। কারণ ভারতের অনেক নিন্মমধ্যেবিত্ত ও গরিব জনতা স্বাস্থ্যের কারণে অর্থ ব্যয় করে গরিবী সীমার নীচে চলে যায় যাতে দেশে গরিবের সংখ্যা বেড়ে যায় এবং সেসকল মানুষ ঘুরে দাঁড়াতে অনেক সময় নেয়। এখন এই প্রকল্প শুরু হলে গরিবী সীমার নিচে যাওয়ার প্রশ্নই উঠবে না নিন্মমধ্যেবিত্ত বা গরিব জনতাদের।