Press "Enter" to skip to content

হরিনাম সংকীর্তনে আবির ছোঁড়াকে ঘিরে সংঘর্ষ, তিন মহিলা সহ আহত ৭

বীরভূমের লাভপুর থানার ছোটগোঘা গ্ে হরিনাম সংকীর্তন এবং নগর পরিক্রমায় আবির ছোঁড়া নিয়ে ছড়াল উত্তেজনা। হরিনাম সংকীর্তনে এই হামলায় আহত হয়েছেন তিন মহিলা সমেত সাতজন। তাঁদের মধ্যে পাঁচ জনকে লাভপুর গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে, এবং দু জনকে গুরুতর আহত অবস্থায় বোলপুর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। বেশ কদিন ধরেই লাভপুর থানার ছোটগোঘা গ্রামে কীর্তনের আসর বসেছিল। ব্রহস্পতিবার কীর্তন শেষ হতেই আবির নিয়ে নগর পরিক্রমায় বের হয় গ্রামবাসীরা। নগর পরিক্রমায় আবির ছোঁড়ার সময় এক গ্রামবাসীর গায়ে লাগে আবির, আর সেই নিয়েই ঘটনার সুত্রপাত।

বৃহস্পতিবার ঘটনা মিটে গেলেও শুক্রবার সন্ধ্যেয় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা ছোটগোঘা গ্রাম সংলগ্ন পশ্চিমপাড়ায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে হামলা চালায়। বাঁশ, লোহার রড, ইট আর ধারালো দিয়ে তাঁরা গ্রামবাসীদের উপর হামলা চালায়। ওই গ্রামের বিজলী দত্ত নামে এক গৃহবধুকে বাড়ি থেকে বের করে রাস্তায় টেনে নিয়ে গিয়ে মারধর করে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। নিতাই দাস নামের এক এলাকাীর হাত ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়।

বীরভূম জেলা বিজেপির সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘ওই এলাকার তৃণমূল নেতা আব্দুল মান্নানের নেতৃত্বে হামলা চালানো হয়েছে। তিনিই লাভপুর থানাকে পরিচালনা করেন। তাই দুষ্কৃতীরা এখন বেপরোয়া ভাবে ঘোরাফেরা করছে। প্রশাসনের প্রতি আমাদের আস্থা আছে। আমরা কয়েকদিন দেখব। পুলিশ ব্যবস্থা না নিলে আমরা গ্রামে যাব। আক্রান্ত পরিবারের পাশে দাঁড়াব।”

যদিও এই নিয়ে এখনো কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। আবদুল মান্নানের সাথে যোগাযোগ করা হলে, ওনার মোবাইল বন্ধ পাওয়া গেছে। এই ঘটনা নিয়ে লাভপুরের তৃণমূল বিধায়ক মনিরুল বলেন, ‘ আমি অসুস্থ চিকিৎসার জন্য বাইরে আছি, এলাকায় কি হয়েছে বলতে পারব না।”