Press "Enter" to skip to content

‘জয় শ্রী রাম” বলায় বিজেপি কর্মী ও তাঁর পরিবারকে জ্যান্ত জ্বালিয়ে মারার হুমকির অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে!

আজকাল এই রাজ্যে সবথেকে বড় অপরাধ ‘ জয় শ্রী রাম ” () স্লোগান দেওয়া। আর এই স্লোগান দিলে আপনাকে জেলে তো যেতে হবেই, তাঁর সাথে আপনাকে খুন করা এবং আপনার পরিবারকে জ্যান্ত জ্বালিয়েও মারা হতে পারে। আর এসবই চলবে গণতন্ত্র রক্ষার নাম করে এবং শাসক দল তৃণমূলের  ( All India Trinamool Congress) তত্ববধানে। এরকমই এক নৃশংস ঘটনা ঘটে গেলো নদীয়া জেলার রাণাঘাট লোকসভার অন্তর্গত নবদ্বীপে (Nabadwip)।

রাজ্যের সবথেকে বড় ধার্মিক শহর নবদ্বীপ। শহরের আনাচে কানাচে আছে ধর্মের ছোঁয়া। চারিদিকে মন্দির, আবার গঙ্গা পার হলেই বিশ্বের সবথেকে বড় হিন্দু মন্দির তথা এর হেড অফিস মায়াপুর। কিন্তু সেখানে হিন্দু দেবতার নামে স্লোগান দিয়ে পরিবার সমেত জ্যান্ত জ্বালিয়ে মারার চেষ্টা চালাচ্ছে শাসক দল। এই ঘটনা নবদ্বীপ থানার অন্তর্গত কাপালি পাড়ায়। তৃণমূলের হাতে আক্রান্ত বিজেপি কর্মী কালু ঘোষকে রক্তাত্ব অবস্থায় নবদ্বীপ স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। আক্রান্তের পরিবারের তরফ থেকে শাসক দল তৃণমূলের তিন নেতার নামে থানায় অভি দায়ের করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, শনিবার সকাল বেলায় বিজেপি কর্মী কালু ঘোষ কপালি পাড়া মোরে জয় শ্রী রাম বলে ধ্বনি দিয়েছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় ওই এলাকায় থাকা তৃণমূল কর্মীরা তাঁর দিকে তেড়ে এসে অশাব্র ভাষায় গালিগালাজ করে। মারধর করা হয় তাঁকে, এর সাথে সাথে তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে জ্যান্ত জ্বালিয়ে মারার হুমকিও দেয় তৃণমূলের কর্মীরা।

কালু ঘোষ

বিজেপি কর্মী কালু ঘোষ তৃণমূলের কর্মীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানালে, তাঁকে রাস্তায় ফেলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপাতে থাকে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। তৃণমূল কর্মীদের মারে রক্তাত্ব হন বিজেপি কর্মী কালু ঘোষ, ভেঙে যায় তাঁর আঙুলও। ঘটনা দেখে আশেপাশের লোকজন ছুটে আসে। কালু ঘোষকে গুরুতর আহত অবস্থায় নবদ্বীপ স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। এই ঘটনায় কালু ঘোষের স্ত্রী নবদ্বীপ থানায় তিন তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।

ভারতীয় জনতা পার্টির নদীয়া জেলার উত্তরের যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক শিব শঙ্কর মণ্ডল বলেন, ‘লোকসভা ভোটে তৃণমূলের ভরাডুবির পর ার্জীর গলার কাটা হয়ে দাঁড়িয়েছে ‘জয় শ্রী রাম” ধ্বনি। আর এই জন্য এরাজ্যে কেউ এই স্লোগান দিলেই তাঁকে গ্রেফতার নাহলে খুন করা হচ্ছে। রাজ্যে গণতান্ত্রিক পরিস্থিতি আর নেই। আপনাদের জানিয়ে রাখি, গত ৩০ মে নরেন্দ্র মোদীর শপথ গ্রহণের দিনে কেতুগ্রামে এক বিজেপি কর্মীকে তালিবানি কায়দায় খুন করেছিল তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। তাঁর অপরাধ একটাই ছিল, তিনি বিজেপির পতাকা লাগানোর সময় জয় শ্রী রাম ধ্বনি দিয়েছিলেন।

Comments are closed.