Press "Enter" to skip to content

তুফানগঞ্জে প্রধান সহ ৮ পঞ্চায়েত সদস্য বিজেপিতে! আরেকটি পঞ্চায়েত দখলের পথে গেরুয়া শিবির

এবার কোচবিহারে দলবদলের পালা। শুক্রবার কোচবিহারের চান্দামারি পঞ্চায়েতের ৯ সদস্য বিজেপিতে (Bharatiya Janata Party) যোগ দেওয়ার পর, ওই পঞ্চায়েতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারায় শাসক দল তৃণমূল (All India Trinamool Congress)। আর শুক্রবারের পর শনিবারেও আরেকটি পঞ্চায়েত হাত ছাড়া হতে চলেছে তৃণমূলের। লোকসভা ভোটের ফলাফল ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার হিড়িক পড়ে গেছে।

আর সেই ক্রমেই শনিবার কোচবিহার জেলার তুফানগঞ্জ ২ নম্বর ব্লকের শালবাড়ি ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সমীরণ রাভা সহ ৮ পঞ্চায়েত সদস্য আনুষ্ঠানিক ভাবে যোগদান করেন। সদ্য তৃণমূল ছেড়ে গেরুয়া শিবিরে নাম লেখান পঞ্চায়েত প্রধান এবং পঞ্চায়েত সদস্যদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন, কোচবিহার জেলার বিজেপি সভাপতি মালতি রাভা। তাছাড়াও তুফানগঞ্জের বিজেপি নেতা উৎপল দাস সহ জেলার বেশ কয়েকজন নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন।

বিজেপি সূত্র থেকে জানা যায় যে, শালবাড়ি ২ নং ব্লকের ১০ জন পঞ্চায়েত সদস্যের মধ্যে প্রধান সহ আটজন সদস্য তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেন। তৃণমূলে এই বড়সড় ভাঙনের ফলে শালবাড়ি পঞ্চায়েতও বিজেপির দখলে যেতে চলেছে। তৃণমূলের এই ভাঙন ঠেকাতে মরিয়া জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব।

কোচবিহার জেলায় পরপর দুটি পঞ্চায়েত হাতছাড়া হতে দেখে নড়েচড়ে বসেছে জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। ইতিমধ্যে এই ভাঙন ঠেকাতে কোচবিহার জেলার  কোচবিহার ১ নম্বর ব্লক নেতৃত্বকে নিয়ে আলোচনায় বসেন জেলা সভাপতি তথা দাপুটে তৃণমূল নেতা রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। শনিবার কোচবিহার ২ নম্বর ব্লকে তৃণমূল মহিলা কংগ্রেসের একটি বৈঠক হয়। শুধু কোচবিহার জেলায় না, এখন কলকাতায়ও বিধায়ক এবং নেতা, মন্ত্রীদের নিয়ে এই ভাঙন ঠেকাতে ঘনঘন বৈঠকে বসছেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী ( Mamata Banerjee)। তবে বিজেপির এই ঝড়ের সামনে দলের ভাঙন কতদিন ঠেকানো যায় সেটাই দেখার বিষয়।

Comments are closed.

you're currently offline