Press "Enter" to skip to content

বেরিয়ে এলো মোদী সরকারের দেওয়া চাকরির পরিসংখ্যান! দেখলে চোখ কপালে উঠবে বিরোধীদের।

২০১৪ সালে দেশের বিপুল পরিমান মানুষের সমর্থন পেয়ে প্রধানমন্ত্রীর আসনে একজন দায়িত্বশীল প্রধানমন্ত্রী হিসাবে বসেছিলেন মোদীজি। মোদীজি প্রধানমন্ত্রী হবার আগে দেশের সাধারণ মানুষ কে কথা দিয়েছিলেনন যে তিনি প্রধানমন্ত্রী হবার পর দেশে অনেক কর্মসংস্থান করবেনন। তিনি তার কথা রাখেছেন। এমনটাই দাবি করেছেন এক নামি সংস্থা।সেন্ট্রাল স্যাটিক্সটিক অফিস তাদের একটা রিপোর্ট পেশ করেছেন। সেখানে তারা যথেষ্ট প্রমান সহকারে দাবি করেছেন যে, বিপুল পরিমাণ কর্মসংস্থানের ব্যাবস্থা করা হয়েছে মোদী সরকারের আমলে। তারা ২০১৮ সালের জুন মাস অব্দি হিসাব দিয়ে দাবি করেছেন যে, ১.২ কোটি কর্মসংস্থান করা হয়েছে মাত্র ১০ মাসের মধ্যে। এর ফলে মোদীজির হাতে ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের আগে বড় অস্ত্র চলে এল বলেই দাবি করা হচ্ছে। সবথেকে বড়ো ব্যাপার এই যে বিরোধীদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল মোদী আমলে মানুষের রোজকার নেই, UPA আমলের পর থেকে তেমন কোনো নতুন সরকারি বা বেসরকারি চাকরি হচ্ছে না। কিন্তু এখন যা পরিসংখ্যান বেরিয়ে এলো যা রীতিমত চাপে ফেলবে বিরোধীদের।

এমপ্লয়িজ স্টেট ইন্সুরেন্স, এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড ও ন্যাশানাল পেনশন স্কিমের দেওয়া তথ্য কে গুরুত্ব দিয়ে, সেই অনুসারে সিএসও এই পরিসংখ্যাটি তৈরি করেছে। সিএসও তাদের দেওয়া রিপোর্টে বলেছেন যে, এমপ্লয়িজ স্টেট ইনস্যুরেন্সে দেশ থেকে গত দশ মাসে নতুন ব্যাক্তি যোগ দিয়েছেন ১,১৯,৬৬,১২৬ সংখ্যক জন। তারা ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে ২০১৮ সালের জুন মাস অব্দি যে পরিসংখ্যা প্রকাশ করেছেন সেখানে বলা হয়েছে সবচেয়ে বেশি পরিমানে লোক যোগদান করেছেন এই বছর মে মাসে তাদের সংখ্যা ১৩,১৮,৩৯৫ জন।

অন্যদিকে, গত দশ মাসে ১,০৭,৫৪,৩৪৮ জন নতুন ব্যাক্তি পিএফ-এর আওতায় এসেছেন। সেই সাথে পেনশনের সুবিধা ছেড়ে দিয়েছেন ৬০,৪০,৬১৬ জন ব্যাক্তি । একইঙ্গে ৬,১০,৫৭৩ জন কে আনা হয়েছে ন্যাশনাল পেনশন স্কিমের আওতায়। ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে শুরু করে ২০১৮ সালের জুন মাস পর্যন্ত এই পরিসংখ্যান বিচার করা হয়েছে। বিরোধীরা বরাবর কর্মসংস্থান ইস্যুকে কেন্দ্র করা মোদী সরকারকে আক্রমণ করেছেন। কিন্তু এই পরিসংখ্যান বেরোনোর ফলে তাদেরকে যোগ্য জবাব দেওয়া যাবে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। লক্ষণীয় বিষয় এই যে রোজগারের পরিসংখ্যান নিয়ে যে রিপোর্ট বের হয়েছে তা শুধু মাত্র সরকারি বা বেসরকারি ক্ষেত্রে যত মানুষ একটা নির্দিষ্ট বেতন পাপ্ত তাদের সংখ্যাকে ধরা হয়েছে। অর্থাৎ নতুন কর্মসংগস্থানকে কেন্দ্র করে বহু গরিব মানুষ নিজেদের মতো করে যে রোজকার করার পদ্ধতি তৈরি করেছে অথবা মুদ্রা যজোনার আওতায় যে সংখক মানুষ রোজকার পেয়েছেন তাদের সংখ্যা এখানে ধরা হয়নি।

আপনাদের জানিয়ে দি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ক্ষমতায় আসার পর থেকে নোটবন্দি, GST এর মত বড়ো পদক্ষেপ নেওয়ার সাথে সাথে কর্মসংগস্থান তৈরির জন্য মেক ইন ইন্ডিয়ার মতো প্রকল্প চালু করেছিল যার জন্য সরকার দেশের বহু লক্ষ কোটি টাকা বাঁচানোর সাথে সাথে দেশে কর্মসংগস্থান তৈরি করতে পেরেছে। জানলে অবাক হবেন আগে ভারত যেখানে ৮০% মোবাইল বাইরে থেকে আমদানি করতে সেখান থেকে মেক ইন ইন্ডিয়ার হাত ধরে উঠে এসে আজ ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় সবথেকে বড়ো মোবাইল উৎপাদন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

#অগ্নিপুত্র