Press "Enter" to skip to content

সংবিধানকে অবজ্ঞা করে, জঙ্গি সংগঠনের মত নির্বাচনের প্রচার করছে তৃণমূল !

নির্বাচনী প্রচারের দেওয়াল লিখন নিয়ে চরম বিতর্কে জোরালো তৃণমূল কংগ্রেস। বীরভুমের বোলপুরে তৃণমূল প্রার্থী অসিত মালের হয়ে দেওয়াল লিখনে বাংলাদেশের কট্টরপন্থী সংগঠন জামাত-এ-ইসলামের চিত্র ভেসে উঠলো। অসিত মালের প্রচারে দেওয়াল লিখতে গিয়ে তৃণমূল কর্মীরা লিখেছে, ‘কুকুর বিড়াল মেরোনা, বিজেপি পেলে ছেড়ো না।”

এই ধরনের স্লোগান বাংলাদেশের জামাত শিবির ওঠায়। ওই দেশে নাস্তিক বিরোধী প্রচারে ‘ কুকুর বিড়াল মেরোনা, নাস্তিক পেলে ছেড়ো না।” স্লোগান তুলে এর আগে চরম বিতর্কে জড়িয়েছিল কট্টরবাদী সংগঠন এর শাখা গুলো। এবার ঠিক একই ধরনের প্রচার এরাজ্যে চালাচ্ছে তৃণমূল। নিজেদের গণতান্ত্রিক দল বলা তৃণমূল বিজেপিকে ভয় পেয়ে কি শেষে জামাত শিবিরে নাম লেখাতে চলেছে?

লোকসভা ভোটের আগে বীরভূম তৃণমূল জেলা সভাপতি নানান ধরনের টোটকা আর পাঁচন দিয়ে বিজেপিকে রুখতে চাইছে। আর ওনার জেলায় তৃণমূলের এই স্লোগান আরও বড় বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। সবথেকে বড় ব্যাপার ভারতের মত গণতান্ত্রিক দেশে এধরনের দেওয়াল লিখন আর নির্বাচনী প্রচার কি আদৌ সাংবিধানিক?

ছবি – banglaxp.com

গত পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূলের সন্ত্রাসের শিকার হয়েছিল রাজ্যের ৯৫ জন বিরোধী দলের কর্মীরা। এবারও হয়ত সেরকম কিছু চিত্র দেখা যাবে। এমনিতেই সেনা বাহিনী মোতায়েন এর পর তৃণমূলের অন্দরে চরম ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

তৃণমূলের নেতারা সেনা বাহিনীকে হুমকি বাজ আর গুন্ডা বাহিনীর সাথেও তুলনা করে ফেলছে। আর তারপর তৃণমূলের এরকম প্রচার এবার ভাবাচ্ছে রাজ্যের মানুষকে। রাজ্যের প্রায় ২০ হাজার বুথকে স্পর্শকাতর বুথ ঘোষণা করার পর তৃণমূল ধর্নায় বসেছিল।

এমনকি তৃণমূল ঘেঁষা বুদ্ধিজীবীরা এটাকে বাংলার অপমান বলে আখ্যা দিয়েছিল। কিন্তু সেই বুদ্ধিজীবীরাই রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচনে লাগাম ছাড়া সন্ত্রাস নিয়ে চুপ ছিল। পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজনৈতিক সংঘর্ষের কারণে ৯৫ জনের মৃত্যুর পর ওনারা বলেন নি, ‘এটা বাংলার অপমান”। কারণ মৃতরা কেউ তো ওনাদের পরিবারের ছিল না।

তৃণমূলের এহেন কট্টরপন্থী দেওয়াল লিখনের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে যাওয়ার হুমকি দিয়েছে বীরভূম জেলা বিজেপি। যদিও এই বিষয়ে তৃণমূল নেতা আর কর্মীদের থেকে এখনো কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

8 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.