Press "Enter" to skip to content

দুর্গামন্ডপে ভাঙচুর করার অভিযোগে তৃণমূল নেতাকে বেধড়ক পেটাল স্থানীয় বাসিন্দারা।

এটা সকলের জানা যে, আমাদের দেশে এত দিন ধরে শাসনকাজ চালিয়ে আসা রাজনৈতিক দল কংগ্রেস হল হিন্দুবিরোধী দল। সেইরকমই এক সময় কংগ্রেসের সাথে থাকা দল বর্তমানে বাংলার শাসক দল তৃনমূল কংগ্রেসও যে কতটা হিন্দুবিরোধী এবং মুসলিম দরদি সেটা এই কয়েক বছরে তাদের নানান আচরনের মধ্যে ফুঁটে উঠেছে। তৃনমূল কংগ্রেস হল পুরোপুরিভাবে হিন্দুবিরোধী একটা রাজনৈতিক দল। এবার ক্ষোদ তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে উঠেছিল এক বিরাট অভিযোগ। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ এই যে, দুর্গা মণ্ডপে ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ করা হয়েছিল সুমিত চক্রবর্তী যিনি তৃণমূল কাউন্সিলর তিনি এবং তার অনুগামীরা মদ্যপ অবস্থায় উত্তরপাড়ার একটি পূজামণ্ডপে যান এবং সেখানে গিয়ে ভাঙচুর চালান। এর জেরে সেখানকার স্থানীয় বাসিন্দারা রেগে যান এবং তারা সকলে মিলে সেই মদ্যপ কাউন্সিলর কে বেধড়ক মারধর করেন। প্রথমদিকে পুরুষরা না এগোলেও মহিলাদের দেখাদেখি পুরুষেরাও তৃণমূল নেতাকে মারধর শুরু করে। তৃণমূল নেতার জামা কাপড় খুলে মারধর করা হয়েছিল।

সেখানকার স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন যে, স্থানীয় ইয়ংস্টার ক্লাবের দুর্গা মণ্ডপে ভোর বেলায় হঠাৎ হাজির হয় কাউন্সিলর সুমিত চক্রবর্তী এবং তার সাঙ্গপাঙ্করা সেই সময় তারা প্রত্যেকেই মদ্যপ অবস্থায় ছিল। তারা সেখানে এসে হঠাৎ করেই ভাঙচুর শুরু করে দেন। খবর পেয়ে সেখানকার স্থানীয় বাসিন্দারা আসার আগের তারা সেই স্থান ছেড়ে পালিয়ে যায়।

পরে সকাল হলে স্থানীয় থানাতে সেই কাউন্সিলারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়। এবং তাকে গ্রেপ্তারের দাবিতে আর কে স্ট্রিট অবরোধ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কিছুক্ষণ পরে সেই রাস্তায় কাউন্সিলার সুমিত চক্রবর্তীকে দেখতে পেয়ে যান স্থানীয় বাসিন্দারা এবং সেখানেই তাকে বেধড়ক মারধর করেন।

এই কুৎসিত বিষয়টি নিয়ে উত্তরপাড়ার বিধায়ক প্রবীর ঘোষাল বলেন যে, পুরো ঘটনাটি আমি শুনলাম খুবই দুঃখজনক ঘটনা। যদি সুমিত চক্রবর্তী দোষী প্রমাণিত হয় তাহলে অবশ্যয় তার বিরুদ্ধে অইনি ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয় দের দাবি আমাদের সাথে কোনোরকম ঝামেলা নেই উনার। উনি সেই দিন অত্যন্ত মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। কিন্তু আমাদের মণ্ডপ ভাঙচুর কেন করলেন কিছুই বুঝতে পারছি না। তারা এখন রীতিমতো ভয়ে রয়েছেন যে আবর কখন কি করে বসে উনি। কারন সাধারণ মানুষ যখন বিপদে পরে তখন যাদের উপর সাহায্য চাইতে যান তারা যদি এইরকম করে তাহলে এখন মানুষ কোথায় যাবেন এই প্রশ্নই রয়ে যাচ্ছে রাজ্য সরকারের কাছে।
#অগ্নিপুত্র