Press "Enter" to skip to content

বিজেপি করছে, গাঁজা কেসে অ্যারেস্ট করিয়ে দে! তৃণমূল নেতার খোলাখুলি নির্দেশের ভিডিও ফাঁসে সমস্যায় তৃণমূল কংগ্রেস।

পুরো দেশের সাথে পাল্লা দিয়ে আমাদের রাজ্যেও বিজেপির উত্থান দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে। ক্রমাগত মানুষ বিজেপির দিকে ঢলে পড়ছে। বিজেপির দেশপ্রেম, দেশের জন্য কাজ করার ইচ্ছাশক্তি দেখেই মূলত মানুষ কে বিপুল পরিমানে সমর্থন করছেন। আর রাজ্যে বিজেপির এই উত্থান দেখে কাযত ভীত হয়ে পড়েছেন রাজ্যের শাসক দল তৃনমূল কংগ্রেস। অনুব্রত মণ্ডল যিনি বীরভূম জেলা সভাপতি তিনি আবার একবার বিতর্কীত মন্তব্য করলেন। এই দিন দলীয় এক বৈঠকে তিনি বলেন যে, যদি কেউ করে তাকে গাঁজা পাচারের মামলায় ফাঁসিয়ে দে। বোলপুরে দলের দলীয় কার্যালয়ে জেলা স্তরের বিশিষ্ট নেতাদের নিয়ে একটি বৈঠক হয়। সেখানে তিনি বর্ধমানের আউসগ্রাম ব্লকের একজন নেতাকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন যে, করছে ওকে গাঁজা কেস দিয়ে এরেস্ট করিয়ে দে।

এই রকম মন্তব্য তিনি সাংবাদিকদের উপস্থিতিতেই করে বসেন। তারপরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানান যে, আজকে দলের তরফে বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদের ২৪টি ব্লকের উপপ্রধান ও প্রধান ঠিক করা হয়েছে। তাদের নাম খুব তাড়াতাড়ি ঘোষনা করে দেওয়া হবে পর্যবেক্ষকদের তরফে। এরসাথে তিনি এটাও জানান যে, কোন প্রধান, উপপ্রধান যদি দুর্নীতির সাথে যুক্ত থাকেন তাহলে তার বিরুদ্ধে দল উপযুক্ত ব্যাবস্থা নেবে। এই দিন বৈঠকটি হয় বোলপুরে তৃণমূলের কার্যালয়ে।

জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল ছাড়াও এই দিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী আশিষ বন্দ্যোপাধ্যায়, চন্দ্রনাথ সিংহ- সহ অন্যান্য বিশিষ্ট নেতারা। এই দিন বৈঠক শুরুর থেকেই অনুব্রত মণ্ডল ক্ষুব্ধ ছিলেন দলের জেলা স্তরের নেতাদের উপর। তিনি অভেদানন্দ থান্দারকে বলেন যে তোর আউসগ্রামের পঞ্চায়েতের কোন ছেলেটা বিজেপি করছে ওকে গাঁজা কেস দিয়ে জেলে ঢুকিয়ে দে।

আর একজন আছে কি যেন নাম সঙ্গীতা না কি তাকেও এরেস্ট করিয়ে দে গাঁজা পাচারের কেস দিয়ে দে। তিনি আরও বলেন যে, “আউসগ্রামের আইসিকে ফোন কর তাড়াতাড়ি ওদেরকে এরেস্ট করিয়ে দেওয়ার ব্যাবস্থা কর। জানিয়ে দি, অনুব্রত মন্ডলের ওই ভিডিও এখন সোশ্যাল মিডিয়ার ভাইরাল হয়ে পড়েছে যার ফলে রাজনৈতিক মহলেও এই নিয়ে আলোড়ন সৃষ্ঠী হয়েছে। এখম শুধু দেখার তৃণমূল এই ব্যাপারে অনুব্রতকে কোন শাস্তি দেয় কিনা।

#অগ্নিপুত্র