মুকুল রায়ের মাস্টারস্ট্রোক! মুকুল রায়ের হাত ধরে তৃণমূল থেকে পদত্যাগ করে বিজেপিতে যোগদান করলো শতাধিক কর্মী।

রাজ্যের বিজেপির এক দায়িত্ববান নেতা হলেন মুকুল রায়। খুবই দায়িত্বের সাথে রাজ্য বিজেপির কাজকর্ম করার জন্য খ্যাত হয়ে উঠেছেন মুকুল রায়। আর সেই সাথে উনি এখন বেশ দায়িত্বের সাথে আরও একটি কাজ করে থাকেন সেটা হল রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের ঘরে ভাঙ্গন ধরানো। আজ মালদা জেলাতে যান বিজেপি নেতা মুকুল রায়। সেখানে গিয়ে উনি যোগ দেন দলীয় কর্মসূচিতে যেটা হয় মালদা কলেজ অডিটোরিয়ামে। আর সেই সভায় গিয়েই মুকুল বাবু করলেন বাজিমাত। এই সভা থেকেই উনি মালদা জেলায় তৃনমূলের কোমর ভেঙ্গে দিলেন।

এই দিনের এই সভাতে গিয়ে মুকুল বাবু দলীয় কর্মীদের সাথে অনেকক্ষণ ধরে সামনের বছর লোকসভা ভোটের ব্যাপারে কথা বলেন। আর সবকিছুর পরে এইদিন মুকুল বাবুর হাত ধরে বিজেপিতে যোগদান করেন অশোক কুন্ডু যিনি হলেন মালদা জেলার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা। আর উনার সাথে এই একই দিনে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন আরও কয়েকশো কর্মী। শুধুমাত্র এইটুকুই নয় সেইসাথে এইদিন বিজেপিতে যোগ দেন বেশ কয়েকশো সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষজন তারা প্রত্যেকেই এইদিন আবদুল রউফের নেতৃত্বে বিজেপিতে যোগদান করেন।

এইদিন সাংবাদিক সম্মেলন করার সময় সাংবাদিকদের কিছু প্রশ্নের উত্তরে উনি বলেন যে, আমাদের দলের কাছে ব্রতী নয় মালদা জেলার হেভিওয়েট নেতা তথা রাজ্যের প্রাক্তন দুই মন্ত্রী সাবিত্রী মিত্র এবং কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী। তারা যদি আবেদন করেন যে বিজেপিতে যোগ দেবেন তাহলে দল সেটা বিবেচনা করে দেখবেন।

এইদিন মুকুল রায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করেন শোভনদেবের পদত্যাগ এর ব্যাপার নিয়ে। উনি বলেন সে, নিজের ব্যক্তিগত সমস্যার জন্য কোনোদিন শোভন বাবু পদত্যাগ করবেন না। এর পিছনে রয়েছে এক অন্য রহস্য। ঠিকমত তদন্ত হলেই সব বাইরে বেরিয়ে আসবে। সেই সাথে মুকুল বাবু দাবি করেন যে, এখন তৃণমূলের অস্তিত্ব এর পিছনে অনেক অবদান রয়েছে শোভন চট্টোপাধ্যাযের। তাই এইভাবে জোরপূর্বক তাকে দল ছাড়তে বাধ্য করায় বেশ অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন মুকুল রায়।
#অগ্নিপুত্র

you're currently offline

Open

Close