Press "Enter" to skip to content

বিবিকে তিন তালাক দিয়েছিল সালাউদ্দিন! থানা যেতেই স্বামী ফিরিয়ে নিল বিবিকে।

আগে মুসলিম পুরুষদের হাতে হাতিয়ার থাকত তিন তালাকের। যার মাধ্যমে তারা মহিলাদের ভয় দেখতো, অনেকবার তিন তালাক দিয়ে হল হালালার শোষণও করানো হত, অনেক গুলি মামলায় এইভাবে মহিলাদের জীবন বরবাদ করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখন মহিলাদের কাছে হাতিয়ার আছে আইনের এবং মহিলারা এই হাতিয়ারের ব্যাবহার করা শুরুও করে দিয়েছে। তিন তালাক আইনটি পাস হওয়ার পর একটা মামলা হারিয়ানা থেকে আছে, যেখানে সলাউদ্দিন নামের এক বেক্তি নিজের স্ত্রী বা বেগমের উপর অনেকদিন ধরে যৌতুক নিয়ে অত্যাচার করছিল।

সলাউদ্দিন একটানা তার বেগমকে ভয় দেখতো ও তিন তালাক আর হালালা এর ভয়ও দেখতো, তারপর তিনি নিজের শাশুড়িকে ফোন করে বলে যে সে তাদের মেয়ে অর্থাৎ নিজের বেগমকে তিন তালাক দিয়ে দিয়েছে। যখন বেগম এই ব্যাপারে জানতে পারে তখন সে সলাউদ্দিনকে বলে যে এখন আইন তৈরি হয়ে গেছে, তুই অনেক অত্যাচার করেছিস, এবার আমি থানায় যাচ্ছি। সেদিনের পর দিয়ে সলাউদ্দিন নিজের বেগমের উপর ক্ষমা চাইতে থাকে এবং বলে যে “আমার ভুল হয়ে গেছে সরি”

মামলাটি হরিয়ানার মেওয়াত জেলা খেডলি নুংহ নিবাসী সাজিদার বিয়ে দুবছর আগে পিনগাওয়াং এর টাটোলী নিবাসী সলাউদ্দিনের সাথে হয়েছিল। বিয়ের পর দিয়েই তার স্বামী তাকে যৌতুকের জন্য বিরক্ত করতে থাকে, যার ফলে নাজেহাল হয়ে সে তার স্বামী ও পরিবারের বিরুদ্ধে যৌতুক চাওয়া আর মারধর করার মামলা দায়ের করে দেয়। এর ফলে রেগে গিয়ে অভিযুক্ত, তার শাশুড়িকে ফোন করে বলে সে তার মেয়ে অর্থাৎ সাজিদাকে তিন বার তালাক বলে তালাক দিয়ে দিয়েছে, তাই যাতে সে তার মেয়েকে তার কাছে না ফেরত পাঠায়। এটা জানতে পারার পর পীড়িতা নিজের স্বামীর বিরুদ্ধে তিন তালাকের মামলাও দাখিল করে দেয়।

অভিযোগ করায় পুলিশ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মুসলিম ওম্যান প্রটেকশন অফ রাইটস অন ম্যারিজ এক্ট ২০১৯ এর ধারা 4 এবং আইপীসি এর ধারা 506 এর অধীনে কেস দায়ের করে নেয়। কেস দায়ের করার পর সলাউদ্দিনের বক্তব্য হলো সে নিজের বিবি নিজের কাছে রাখবে এবং তার দ্বারা যে ভুল হয়ে গেছে তার জন্য তাকে যাতে ক্ষমা করে দেওয়া হয়।