Press "Enter" to skip to content

ত্রিপুরার গ্রাম পঞ্চায়েত নির্বাচনে বামপন্থীদের সাফ করে বিপ্লব দেবের নেতৃত্বে বিজেপির বড়ো জয়।

উত্তরপূর্ব ভারতের রাজ্য , যেখানের কোনো খবর, মিডিয়া ৭০ বছর ধরে দেখায়নি। বর্তমানে ত্রিপুরায় মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর মিডিয়া একটু হলেও ত্রিপুরার সংবাদ দেখাতে শুরু করেছে। এর কারণ দেশের বেশিরভাগ মিডিয়া বামপন্থী শক্তির দখলে রয়েছে এবং ত্রিপুরাতেও বিজেপি আসার আগে বামপন্থী শাসন ছিল। জানিয়ে দি, এখন মিডিয়া ত্রিপুরা নিয়ে মাথা গামাতে শুরু করেছে শুধুমাত্র বিজেপি ও বিপ্লবদেবের সম্পকে অপপ্রচার করার জন্য। এখন যেইমাত্র মিডিয়া ত্রিপুরার খবর প্রদান করে তখন শুধুমাত্র ের বিতর্কিত মন্তব্যই তুলে ধরে। প্রতি সপ্তাহে ত্রিপুরায় কি বিতর্কিত বয়ান দিচ্ছে সেই সংবাদ নিয়ে হাজির হয় মিডিয়া যদিও বিজেপি ত্রিপুরাকে কিভাবে ‘এক ত্রিপুরা শ্রেষ্ঠ ত্রিপুরা’ তৈরির জন্য কাজ করছে তা নিয়ে কোনো সংবাদ পরিবেশন করে না। মিডিয়া যেন তেন প্রকারে প্রমান করার চেষ্টা করে যে ত্রিপুরার জনগণ একজন বোক ব্যাক্তিকে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসিয়েছে।

জানিয়ে দি, ত্রিপুরায় গ্রামপঞ্চায়েত নির্বাচন হয়েছিল এবং সেখান বিজেপি ৯৬% আসনে জয়লাভ করেছে যদিও মিডিয়া পুরো নির্বাচনকে এড়িয়ে যাচ্ছে। বামপন্থী নামটাই এখন ত্রিপুরায় জনগণ ভুলে গেছে, এবং ৯৬% আসনে বিজেপিকে জয়ী করিয়েছে জনতা। ৯৬ শতাংশ আসনে জয় লাভ করে ইতিহাস তৈরী করে ফেলেছে বিপ্লব দেব।

গ্রাম পঞ্চায়েত ছাড়াও ১৮ জেলা পরিষদ রয়েছে ত্রিপুরাতে। বিজেপি ১৮ এর মধ্যে ১৮ টি জেলা পরিষদ দখল করে নিয়েছে। বামপন্থীদের ছায়া তো দূর, লেলিনের শব পর্যন্ত টিকতে পারেনি বিজেপির সামনে। ত্রিপুরায় ৩২০৭ টি গ্রাম পঞ্চায়েত রয়েছে যার মধ্যে ৩০৭৭ টি আসনে জয়লাভ করেছে বিজেপি। বামশক্তিকে সাফ করে দিয়ে নতুন ইতিহাস তৈরি করে দিয়েছে ত্রিপুরার জনতা। গ্রামপঞ্চায়েতে বিজেপিকে আটকানোর জন্য বামপন্থীরা বহু সাথে বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছিল যাতে ২৫ জন কর্মী গুরুতর আহত হয়েছিলেন।

১২ স্থানে পুরো পরিকল্পনার সাথে বিজেপি কর্মী ও সাধারণ মানুষের উপর আক্রমণ করে হয়েছিল। উল্লেখ্য, ব্যাপার এই যে মিডিয়া প্রতি সপ্তাহে নিয়ম করে বিপ্লব দেব ও বিজেপির উপর অপপ্রচার করলেও জনগণ এটা বুঝিয়ে দিয়েছে যে এখন মানুষ কাজে বিশ্বাসী, দালালিতে নয়। ত্রিপুরার জনতা মিডিয়ার উপর বিশ্বস্ততা রাখে না এটা ভালোভাবেই বোঝা গেছে পঞ্চায়েতের ফলাফল থেকে। বিজেপি এত বড়ো জয়ের খবর আসার পর থেকে নিরাশায় ভুগতে শুরু করেছে বামপন্থী ও বামপন্থী মিডিয়া। মিডিয়া বহুবার বিপ্লব দেবের কথা ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে জনতার কাছে পৌঁছে দিত, কিন্তু জনগণ মিডিয়ার জালে না পড়ে সঠিকভাবে নিজেদের শাসক নির্বাচন করতে সক্ষম হয়েছে।