Press "Enter" to skip to content

মোদীর কূটনীতিতে চাপে পাকিস্থান ! আতঙ্কবাদ ছড়ানোর জন্য পাকিস্থানকে ধমক দিলো আমেরিকা।

ে ক্ষমতায় আসার পর থেকে যেন ের উপর বজ্রপাত শুরু হয়ে গিয়েছে। মোদীর শাসনকালে ে আচ্ছে দিন এসেছে এটা বিরোধীরা স্বীকার না করলেও এটা স্বীকার করতেই হবে যে মোদীর কারণে পাকিস্থানে খারাপ দিন শুরু হয়ে গিয়েছে। প্রথমে নোট বন্ধীর কারণে ের জালি নোট বানানোর ব্যাবসা বন্ধ হয়েগিয়েছে পাকিস্থানে। নোটবন্দির পর সরকার আন্তর্জাতিক স্তরে পাকিস্থানের আতঙ্কবাদ নিয়ে এমন পোল খুলেছে যাতে সমস্থ দেশ পাকিস্থানকে ফান্ডিং করাও বন্ধ করে দিয়েছে। বিশেষ করে একটা বিশাল অংকের টাকা প্রতি বছর পাকিস্থানকে দান করতো সেটাও বন্ধ হইয়ে গিয়েছে ভারতের কূটনৈতিক বুদ্ধির জন্য। এখন পাকিস্থান ঋণের বোঝায় জর্জরিত হয়ে পড়েছে। সৌদি আরব ও চীন ছাড়া বাকি দেশগুলি পাকিস্থানকে সাহায্য করতে অস্বীকার করেছে। আমেরিকার কিছুমাস দাবি করেছিল, যদি পাকিস্তান আতঙ্কবাদী গীতিবিধি বন্ধ না করে তাহলে পাকিস্থানের উপরে বড়ো নিষেধাজ্ঞা লাগানো হবে।

তবে এখন আর একটা বড়ো খবর সামনে আসছে যা পাকিস্থানের ধার্মিক কট্টরপন্থীদের হতাশ করবে। আসলে আমেরিকা আরো একবার পাকিস্থানেক হুমকি দিয়েছে। সম্প্রতি প্রশাসন আমেরিকায় পাকিস্থানের বিদেশমন্ত্ৰী শাহ মেহেমুদ খুরেশির সাথে বৈঠকে বসেছিল। আমেরিকা আতঙ্কবাদ নিয়ে খুরেশির উপর জোর ধমক লাগিয়েছে এবং নতুন করে তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছে। আমেরিকার বিদেশ মন্ত্রী মাইক পম্পেও পাকিস্থানের বিদেশমন্ত্রীর সাথে বৈঠকে বসেছিলেন।

আমেরিকা জানিয়েছে, ” আমরা আতঙ্কবাদের বিষয়ে পাকিস্থানকে নতুনভাবে তদন্ত শুরু করার ব্যাপারে বলেছি।” আসলে আমেরিকা পাকিস্থানের সৈন্য সহায়তার অর্থ আটকে রেখে দিয়েছে যা নিয়ে ইমরান খানের সরকার চিন্তায় রয়েছে। এমনটিতে পাকিস্থানের আর্থিক ব্যাবস্থা ভেঙে পড়েছে তার মধ্যে অর্থ আটকে দেওয়ায় আরো চাপে পড়েছে পাকিস্থান।

পাকিস্থানের কট্টরপন্থীদের দাবি আমেরিকা ভারতের মত অনুযায়ী চলছে। পাকিস্থান সরকারের দাবি আমেরিকা যেন পাকিস্থানকে ভারতের সাথে জুড়ে না দেখে। অর্থাৎ ভারতে পাকিস্থান যে আতঙ্কবাদ ছড়াচ্ছে তা এড়িয়ে যায় এবং অর্থ সাহায্য করে। শনিবার দিন পাকিস্থানের বিদেশমন্ত্রী মেহেমুদ খুরেশি বলেছেন পাকিস্থান শান্তির দেশ এটা অস্বীকার করা উচিত নয়। তবে আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প পাকিস্থানের উপর থেকে আতঙ্কবাদ তকমা ও পাকিস্থানকে সাহায্য দুটো ইস্যুতেই রাজি হননি।