Press "Enter" to skip to content

৩০ বছর ধরে ভারতে ঢুকে থেকে বংশবিস্তার করছিল দুই রোহিঙ্গা মুসলিম! গ্রেপ্তার হওয়ার পর দায়ের হল মামলা।

অবৈধভাবে অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গারা এখন দেবভূমি উত্তরাখণ্ড পর্যন্ত ছড়িয়ে গেছে। কট্টরপন্থী ও অবৈধ অনুপ্রবেশকারীরা উইপোকার মতো পুরো দেশকে ছড়িয়ে গিয়ে দেশকে খোলসা করার পরিকল্পনা করে ফেলেছে। অনুযায়ী রাজধানী দেরাদুনের পাটেলনগর থানা এলাকায় তিন দশক থেকে বাস করা মুসলিমদের পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। উভয়ের কাছে থেকে অবৈধভাবে বানানো ভোটদানের প্রমান পত্র, আধার কার্ড এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া গেছে। শুধু এই নয় এই দুইজনের থেকে ীয় পাসপোর্টও পাওয়া গেছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী উত্তরাখণ্ডের বেশ কিছু জায়গায় কট্টরপন্থীরা, হিন্দুদের উপর দাপট দেখাতে শুরু করেছে। উত্তরাখণ্ডের কিছু কিছু এলাকা থেকে হিন্দু বিতাড়নের ঘটনাও সামনে এসেছিল।

রাজ্য সরকার সচেতন হয়ে তদন্ত শুরু করে।তদন্তে সামনে আসে যে বেশকিছু এলাকায় জনসংখ্যার অনুপাত হটাৎভাবে পরিবর্তন হয়েছে। এরপর সরকারের নির্দেশ মতো এখন পুলিশ সন্দেহজনক এলাকায় সত্তাপণ অভিযান শুরু করে। এদিন এসপি নিবেদিতা কুকারতি এর নির্দেশে পাটেলনগর থানার পুলিশ সত্তাপণ অভিযান শুরু করলে নজরুল ইসলাম(৩০) এবং সাইফুল হাসান(৪০) নামের দুই অবৈধ অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়ে। এই দুজনের বিরুদ্ধে বিদেশি অধিনিয়ম, পাসপোর্ট এন্ট্রি ইনটু ইন্ডিয়ান এক্ট-১৯২০ সহ বেশ কয়েকটি ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।নজরুল ২৯ বছর ধরে এবং সাইফুল হাসান প্রায় ১৯ বছর ধরে ভারতের দেরাদুনে বসবাস করছিল। নজরুল ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবেশ করে এবং হাওড়া এক্সপ্রেস ধরে দুনে পৌঁছে যায় এবং সেখানে ভারতের স্থানীয় মুসলিমদের সাথে মিশে যায়।

নজরুল ২০০১ সালে সাইফুল হাসনকেও ভারতে ডেকে নেয়। স্থানীয় কোনো ব্যক্তি এদের বিষয়ে পুলিশকে না জানানোয় এরা বংশ বিস্তারের পথে এগিয়ে চলে।ভারতের সামান্য কিছুদূর পড়াশোনা করার পর এই দুজন কট্টরপন্থী ভারতীয় দুই বোনকে বিয়ে করে নিজেদের গোড়া আরো মজবুত করে।এই দুজন আরো অনেকে অবৈধ অনুবেশকারীকে ভারতে ঢুকিয়েছে বলে সন্দেহ করছে পুলিশ। দুই কট্টরপন্থীর সোশ্যাল একাউন্ট থেকেও বহু তথ্য পাওয়া গেছে।আসলে এই দুই কট্টরপন্থী প্রথম দিকে ভারতীয় দস্তাবেজ তৈরি করাতে অক্ষম হয় তাই যোজনা বানিয়ে ভারতীয় মেয়েকে বিয়ে করে তাদের রেশন কার্ডে নিজেদের নাম চাপিয়ে ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরির কাজ শুরু করে। এই পরিচয়পত্রের উপর ভিত্তি করেই ২০১৫ সালে ও ২০১৬ সালে নজরুল ও সাইফুল বাংলাদেশ যাত্রা সম্পন্ন করেছিল।

এক পুলিশ আধিকারিক এর মতে কিছু এলাকায় হটাৎ করে জনসংখ্যার অনুপাত বদলে যাওয়ার মূল কারণ অবৈধ অনুপ্রবেশ। দুজন গ্রেপ্তারের পর পুলিশ আরো সচেতন হয়েছে এবং আরো কড়াভাবে সত্তাপণ অভিযান চালানোর সিধান্ত নিয়েছে।

7 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.