Press "Enter" to skip to content

বামপন্থী ও কট্টরপন্থীদের কাছে বড় হার হলো হিন্দু সমাজের। ভেঙে গেল সবরিমালা মন্দিরের ৮০০ বছরের পুরনো নিয়ম

আরো একবার বড় জয় হলো হিন্দু বিরোধী বামপন্থী ও কট্টরপন্থীদের। হিন্দুদের লাগাতার সংঘর্ষের পরেও ভেঙে গেল মন্দিরের প্রাচীন ৮০০ বছরের ও বেশি পুরোনো নিয়ম। কট্টরপন্থী ও বামপন্থীদের সামনে বড় পরাজয় হলো হিন্দু সমাজের। আসলে ভারতে বিভিন্ন ধরণের মন্দির দেখতে পাওয়া যায়, উদাহারন স্বরূপ উত্তর ভারতে বৈদিক মন্দির, দক্ষিন ভারতে তান্ত্রিক মন্দির। দক্ষিণ ভারতের এমন অনেক মন্দির রয়েছে যেখানে পুরুষদের প্রবেশ নিষেধ আবার এমনও মন্দির রয়েছে যেখানে মহিলা প্রবেশ নিষেধ। জানিয়ে দি, এটা যুগ যুগ ধরে চলে আসা হিন্দু মন্দিরের বিশেষ নিয়ম, এখানে পুরুষ বিদ্বেষ বা নারী বিদ্বেষ এর ব্যাপার থাকে না। এমনি একটা মন্দির কেলারাল মন্দির। মন্দিরে মহিলাদের প্রবেশ নিষিদ্ধ, এখানে শুধুমাত্র পুরুষরাই প্রবেশ করতে পারে। কিন্তু ১০ থেকে ৫০ বছর বয়স পর্যন্ত কোনো মহিলা এই মন্দিরে প্রবেশ করতে পারে না !কেরালার বামপন্থী সরকার মুসলিম , খ্রিষ্টান ভোট ব্যাঙ্ককে খুশি করার জন্য এবং নিজের এজেন্ডা চালানোর জন্য এই নিয়ম ভাঙার সিধান্ত নিয়েছিল।

এর জন্য কেরালার বামপন্থী মহিলা কার্যকর্তারা মন্দিরে প্রবেশের জন্য আদালতে আর্জি লাগায়। আদালত সরাসরি হিন্দুদের বিরুদ্ধে রায় দেয় এবং মন্দিরে মহিলাদের প্রবেশের অনুমতি দেয়। এর পর থেকে মন্দিরে ঢোকা নিয়ে শুরু হয় চরম সংঘর্ষ। হিন্দু মহিলারা মন্দিরে ঢোকার বিরোধ করলেও কট্টরপন্থী মুসলিম মহিলা এবং হিন্দু নামধারী বামপন্থী মহিলারা, আয়াপ্পা ভক্তদের বাধা অতিক্রম করে লাগাতার মন্দিরে প্রবেশের চেষ্টা করে। কেরালার বামপন্থী সরকার পুলিশি শক্তি প্রয়োগ করে ওই মন্দিরে মহিলা প্রবেশ করানো চেষ্টায় নেমে পড়ে।

প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী গতকাল মন্দিরের সমস্থ নিয়ম ভেঙে ২ সিপিএম মহিলা কার্যকর্তা হিন্দুদের বাঁধা অতিক্রম করে মন্দিরে ঢুকতে সক্ষম হয়েছে। যে দুই মহিলা মন্দিরে ঢুকতে সক্ষম হয়েছে তাদের নাম বিন্দু ও কনকদুর্গা। এই দুই জন কট্টর হিন্দু বিরোধী বামপন্থী মহিলা কার্যকর্তা। শুধু তাই নয়, এই দুজন বহু আগে হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে খ্রিষ্টান ধর্মে পরিবর্তিত হয়েছে। রাত ৩.৪৫ সময়ে এই দুই মহিলা ের নিয়ম ভঙ্গ করে ঢুকতে সক্ষম হয়েছে।

এই ঘটনা ঘটার পর থেকে কেরালার বিভিন্ন হিন্দু সংঘটন রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে শুরু করেছে। এই বিক্ষোভ প্রদর্শনে পুরুষ ও মহিলারা সমান ভাবেই যোগ দিয়েছে। কেরালার বিজেপি পার্টিও এই ঘটনার নিয়ে সরকারের উপর ক্ষোভ প্রদর্শন শুরু করেছে। এই ঘটনা বামপন্থী ও কট্টরপন্থীদের দ্বারা পূর্ব পরিকল্পিত ঘটনা যার জন্য গতকালকের দিনকে হিন্দুদের জন্য কালো দিবস বলেও ঘোষণা করা হয়েছে।

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.