সুখবর: নতুন বছরের জঙ্গি সাফাই অভিযান শুরু! মেরে ফেলা হলো জইস মোহম্মদ এর ২ জঙ্গিকে।

নতুন বছর ঢুকতে না ঢুকতেই ভারতীয় সেনা আতঙ্কবাদী দমনে নেমে পড়েছে। অপেরাশন অল আউট অর্থাৎ জঙ্গি সাফাই অভিযানে সেনা ২০১৮ সালে ট্রিপিল সেঞ্চুরি করে ফেলেছে। যদিও ২০১৮ সালের একটা বড় সময় ধরে জম্মুকাশ্মীরে পিডিপির শাসন ছিল যার জন্য আতঙ্কবাদী দমন কঠিন হয়ে উঠেছিল। তবে ২০১৯ এর শুরু থেকেই ঘাঁটিতে রাষ্ট্রপতি শাসন লাগু রয়েছে এই কারণে সেনা আতঙ্কবাদী সাফাই এর উপর বড় টার্গেট নিয়েছে। সেনা ২০১৯ সালে আতঙ্কবাদীদের বড় মাথাগুলি শেষ করার সিধান্ত নিয়ে ফেলেছে। যার প্রক্রিয়া শুরু আপাতত শুরু হয়ে গিয়েছে। জানিয়ে দি, পুলবামার গুলশানপুরা এলাকায় কাল সকাল থেকে জিহাদি ইসলামিক আতঙ্কবাদী ও সেনার মধ্যে গুলি বর্ষণ শুরু হয়েছে।

ইসলামিক আতঙ্কবাদীদের সাথে রেষারেশিতে জইসি মহম্মদ এর ২ জন আতঙ্কবাদীকে জান্নাত এ পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। আতঙ্কবাদীদের শবদেহ এখন পর্যন্ত সংগ্রহ করা হয়নি। আতঙ্কবাদী মুভমেন্ট এর খবর পাওয়ার পর সেনা সার্চ অপেরাশন চালু করেছিল। নতুন বছরের শুরুতে এটাই সেনার প্রথম এনকাউন্টার অপেরাশন। সূত্রের খবর, সেনা ও আতঙ্কবাদীর সংঘর্ষে জইস মহম্মদ এর তিন আতঙ্কবাদী সামিল রয়েছে।

বুধবার মধ্যে রাত থেকেই এই আতঙ্কবাদীদের উপর সার্চ অপেরাশন জারি ছিল। পুলবামার এই স্থানে ২৮ শে ডিসেম্বর লস্করের এক ইসলামিক জঙ্গিকে মেরে ফেলা হয়েছিল, এর আগে ২২ শে ডিসেম্বর জাকির মুসার ৬ আতঙ্কবাদীকে মেরে ফেলা হয়েছিল যারা আনসার গাজবাতুল হিন্দ নামক জঙ্গি সংগঠনের সাথে জুড়ে ছিল। এই সমস্ত ইসলামিক জঙ্গি সংঘটনগুলির মূলত একটা উদেশ্য থাকে সেটা হলো ভারতকে ইসলামিক দেশে পরিণত করা।

যদিও দেশে একটা শক্তিশালী সরকার থাকার দরুন ইসলামিক জিহাদি শক্তি ভারতে প্রবেশের আগেই মাত খাচ্ছে। যেহেতু সামনে ২০১৯ নির্বাচন , ঠিক তার আগেই পাকিস্থান মোদী সরকারকে সমস্যায় ফেলানোর জন্য লাগাতার ইসলামিক আতঙ্কবাদী প্রেরণ করছে। পাকিস্থান যেনতেন প্রকারে ভারতের মোদী সরকারকে সমস্যায় ফেলে কংগ্রেসকে সুবিধা প্রদান করার চেষ্টা করছে বলে দাবি অনেকের।

Leave a Reply

you're currently offline

Open

Close