Press "Enter" to skip to content

দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি দেখে ইউনাইটেড নেশন এর মন্তব্য প্রত্যেক দেশভক্তের বুক চওড়া করবে।

মোদী সরকার আসার পর থেকে ভারত বিশ্বে সবচেয়ে শক্তিশালী দেশ হিসেবে উপস্থাপিত হতে শুরু করেছে। বিশ্বের সবথেকে বড় এজেন্সির IMF এর দাবি চীনকে পেছনে ফেলে ভারত এখন বিশ্বের সবথেকে দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়া অর্থবাবস্থায় পরিণত হয়েছে। অন্যদিকে ফ্রান্সকে পেছনে রেখে ভারত বিশ্বের ষষ্ঠ বড়ো আর্থিক ব্যাবস্থায় পরিণত হয়েছে এই মাসেই। আজ বিশ্বে World Bank, IMF, WEF এর মতো  বড় বড় সংস্থা ভারতের দাপটকে মান্যতা দিয়েছে। কিন্তু ইতিহাসে এই প্রথমবার মোদী সরকারের নিয়ে সংযুক্ত রাষ্ট্র যে বার্তা দিয়েছে তা জানার পর প্রত্যেক দেশভক্তের বুক চওড়া হয়ে উঠবে। আজ  ভারতের সম্পর্কে সংযুক্ত রাষ্ট্র এমন কথা বলেছে যা আপনার বিশ্বাস করতে পারবেন না।

আজ সংযুক্ত রাষ্টের মন্তব্যের পর মোদী বিরোধীরা উপলদ্ধি করতে পারবে যে দেশ ৭০ বছর পর কত শক্তিশালী,মজবুত হাতে পড়েছে। এর রিপোর্ট অনুযায়ী ভারত শুধু এশিয়ায় নয় পুরো বিশ্বে ভারী পড়তে পারে। সংযুক্ত রাষ্টের একজন বরিষ্ট আধিকারিক জানিয়েছেন যে ২০৩০ এ বিকাশ এর জন্য যে লক্ষ্য স্থির করা হয়েছেম। উনি বলেন ২০৩০ এর জন্য যে লক্ষ রাখা হয়েছে তার সফলতা শুধুমাত্র ভারতের উপর নির্ভর করবে। এর অর্থ ভারতের সফলতার উপরেই পুরো বিশ্বের সফলতা নির্ভর করবে।

এটা কোনো ছোটখাটো কথা নয় আর এটা কোনো ছোটখাটো ব্যক্তিও বলেননি। আমেরিকা, চীনকে বাদ দিয়ে শুধুমাত্র ভারতের জন্য এমন মন্তব্য করা ভারতীয় জন্য একটা গৌরবের বিষয়। সংযুক্ত রাষ্টের মতো আন্তর্জাতিক ও শক্তিশালী সংগঠনের আধিকারিকের এমন বক্তব্য সত্যিই ভারতের মোদী সরকারের একটা বড় উপলদ্ধি। কারণ মোদী সরকার যেভাবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে তাতে পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে যে ভারত খুব তাড়াতাড়ি শক্তিশালী দেশগুলিকে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো ক্ষমতা অর্জন করবে।

ব্যাপারটা ভেবে কিছুটা অবাস্তব লাগলেও মোদী সরকার যেভাবে ভারতকে অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক দিক থেকে শক্তিশালী করছে তাতে এ নিয়ে সন্দেহ করা উচিত নয়। যদিও কংগ্রেস এর বড়ো বড়ো অর্থশাস্ত্রীরা  ও অমর্ত্য সেনের মতো কংগ্রেস সমর্থনকারীদের এখনোও ভারতের অবস্থা খুব খারাপ ও দুর্দশাপূর্ন বলে মনে হচ্ছে। ভারত কিভাবে মজবুত অর্থনীতির দিকে এগিয়ে চলেছে তা জানার জন্য এবার হয়তো তাদের সংযুক্তরাষ্ট্রের আধিকারিকের কথা শোনা উচিত।