Press "Enter" to skip to content

সাধু হত্যার বদলা নিলো যোগী প্রশাসন! আলীগড়ে সাধু হত্যাকারী ২ জিহাদিকে এনকাউন্টার করলো UP পুলিশ।

সহ অন্যান্য কিছু এলাকাতে সম্প্রতি জিহাদীদের দ্বারা হিন্দু সাধুদের হত্যা খুবই সাধারণ ব্যাপার হয়ে উঠেছে। আসলে হত্যার দ্বারা হিন্দুদের মনে ভয় প্রবেশ করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। যার জন্য লাগাতার হিন্দু সাধুদের উপর আক্রমণ কৰক হচ্ছে। কয়েক সপ্তাহ আগেই ের ে হিন্দু সাধুদের টার্গেট করে হত্যা করা হয়েছিল। এটা সম্পুর্ন ভাবে যোগী সরকারকে বদনাম করার জন্য করা হয়েছিল যাতে হিন্দুদের মনে এটা ঢুকিয়ে দেওয়া যায়, যে যোগী রাজে সাধুরাও সুরক্ষিত নয়। ে সাধু হত্যার মামলায় ৩ জন কট্টরপন্থী জিহাদির নাম উঠেএসেছিল। যার মধ্যে মোহাম্মদ মুস্তাকিন, মহম্মদ নওশাদ ও মহম্মদ আফসার সামিল ছিল। এই তিনজন সাধু হত্যার পর থেকেই পলাতক ছিল। এখন খবর আসছে ওই ৩ জন জিহাদিদের মধ্যে ২ জনকে অর্থাৎ ের পুলিশ জান্নাতে পাঠিয়ে দিয়েছে।

এখনো ১ জন কট্টরপন্থী পলাতক রয়েছে যাকে গ্রেপ্তারের কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুলিশকে। সাধুদের উপর আক্রমণকারী জিহাদিদেরকে গেপ্তার করার কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল ের তরফ থেকে। যেহেতু জিহাদীরা আগ্নেয়াস্ত্র সাথে নিয়ে থাকে তাই যোগী পুলিশকে এনকাউন্টার করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। যার জন্য যোগী পুলিশ ২ কট্টরপন্থী জিহাদিকে জান্নাতের রাস্তা দেখিয়ে হত্যা করেছে।

খুব তাড়াতাড়ি আরেক জিহাদিকে গেপ্তার করা হবে নতুবা সেও বাকি দুই সাথীর কাছে পৌঁছে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। জানিয়ে দি, যোগী আদিত্যানাথ শাসনক্ষমতা নিজের হাতে নেওয়ার সময় সাফ জানিয়েছিলেন, হয় অপরাধীরা উত্তরপ্রদেশ ছেড়ে দিক নতুবা তাদেকে দুনিয়া ছাড়ানোর দায়িত্ব প্রশাসনের। আর এখন যোগী সরকারের পুলিশ সেই কাজেই নেমে পড়েছে।

NDTV এর মত বামপন্থী চ্যানেলগুলি দাবি করতে শুরু করেছে যে যোগীর পুলিশ শুধুমাত্র মুসলিম কমিউনিটিকে টার্গেট করে এনকাউন্টার করছে।NDTV ও বুদ্ধিজীবীরা কট্টরপন্থী হত্যাকারীদের বাঁচানোর জন্য সমগ্র প্রচেষ্টা লাগিয়ে দিয়েছে। তবে যোগী আদিত্যনাথ সাফ বলেছেন, ‘ যতদিন প্রদেশে অপরাধ থাকবে ততদিন এনকাউন্টার থাকবে।’