Press "Enter" to skip to content

মোদী ও যোগীর মাথা কেটে নেওয়ার হুমকি দেওয়া পর এখন যোগী পুলিশের ভয়ে পলাতক AIMIM নেতা গুলাম মুস্তাফি।

কট্টরপন্থীদের যতটা ছাড় দেওয়া হয় তারা ততটাই পেয়ে বসে, আর যদি কট্টরপন্থীদের উপর পদক্ষেপ নেওয়া শুরু হয় তাহলে তারা নিজের গুহায় ঢুকে পড়ে। এটাই কট্টরপন্থীদের মূল বৈশিষ্ট, যার প্রমাণ আরো একবার হাতে নাতে পাওয়া গেল। আসলে এর কট্টরপন্থী ধার্মিক-উন্মাদী নেতা গুলাম মুস্তাফি হুমকি দিয়ে বলেছিল যদি অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণ হয় তাহলে যোগী আদিত্যানাথ ও নরেন্দ্র মোদীর হাত ও মাথা কেটে নেওয়া হবে। শুধু এই নয়, মুসলিমদের উস্কানি দেওয়া এই নেতা বলেছিল যদি আলী সেনা একবার বের হয় তাহলে শিবসেনা, হিন্দু সংগঠন সব ভেতরে ঢুকে যাবে। গুলাম মুস্তাফি যোগী ও মোদীর মাথা কেটে ফেলার এই ভাষণ মুরাদাবাদ থেকে দিয়েছিল ২৩ শে নভেম্বর তারিখে।

মুরাদাবাদে হওয়া কার্যক্রম নিয়ে দেশের বিক্রীত মিডিয়া চুপ ছিল ঠিকই কিন্তু দেশের হিন্দুত্ববাদী ও রাষ্ট্রবাদী হিন্দুরা কার্যক্রমের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করে দেয়। এরপর উত্তরপ্রদেশের পুলিশ ধারা ১৫৩A, ৪৯৯ ও ৫০৬ এর ভিত্তিতে মামলা দায়ের করে। এরপর যখন যোগী পুলিশ গুলাম মুস্তাফাকে গেপ্তার করার জন্য তার বাড়ি পৌঁছায় তখন উন্মাদী কট্টরপন্থী বাড়ি ছেড়ে পলায়ন করে।

কেউ কট্টরপন্থী নেতাকে খবর দিয়ে দিয়েছিল যে পুলিশ তাকে গেপ্তার করার জন্য আসছে। কট্টরপন্থী উন্মাদী মুসলিম নেতা চিৎকার করে আলী সেনা নামিয়ে হিন্দু সংগঠনকে শেষ করার কথা বলেছিল এবং যোগী-মোদীর মাথা কেটে ফেলার কথা বলেছিল। পুলিশ এখন মুস্তাফাকে খোঁজার জন্য টিম বানিয়ে ফেলেছে এবং এবং তার ফোন ট্রাকিং করা হচ্ছে। কার্যক্রমে এই ইসলামিক নেতা খুব চিৎকার করছিল কিন্তু যেইমাত্র যোগী পুলিশ একশন নিয়েছে সেই কট্টরপন্থী নেতা পলায়ন শুরু করেছে।

গুলাম মুস্তাফি ভেবেছিল যে সে যোগী ও মোদীর বিরুদ্ধে কুমন্তব্য করে বেঁচে যাবে। ভারতকে দেশকে পাকিস্থান মনে করে নিজের ইচ্ছামত হিংসাত্মক ভাষায় মন্তব্য করছিল কিন্তু এখন যোগীর পদক্ষেপ মুসলিম নেতা চোরের মতো লুকিয়ে বেড়াচ্ছে।

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.