Press "Enter" to skip to content

২০১২ সালেই চন্দ্রযান-২ কে মহাকাশে পাঠানো যেত, কিন্তু তৎকালীন কংগ্রেস সরকার সেটা হতে দেয়নিঃ প্রাক্তন ইসরো প্রধান

ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা () এর প্রাক্তন প্রধান জি. মাধবন নায়ার (G. Madhavan Nair) বলেন, -২ কে এর আগেই মহাকাশে পাঠিয়ে দেওয়া যেত, কিন্তু তৎকালীন সরকার ২০১৪ এর নির্বাচনকে মাথায় রেখে রাজনৈতিক কারণের জন্য ‘মঙ্গলযান” পরিকল্পনা কে এগিয়ে নিয়ে আসে।

চন্দ্রযান-২ এর নেতৃত্বে থাকা ইসরোর প্রাক্তন প্রধান নায়ার ২০০৩ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত মহাকাশ বিভাগের সচিব পদে ছিলেন। এর আগে ‘চন্দ্রযান-১” ২২ অক্টোবর ২০০৮ এ মহাকাশের উদ্দেশ্যে রওনা করা হয়েছিল। উনি বলেন, চন্দ্রযান-২ কে ২০১২ এর শেষের দিকে মহাকাশের উদ্দেশ্যে পাঠানো যেত, কিন্তু তৎকালীন ের নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকার এটা হতে দেয়নি।

কংগ্রেসের মুখপাত্র অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি নায়ারের এই বয়ানের নিন্দা করে বলেছেন, ‘ আমি এরকম কোন বয়ান শুনিনি, কিন্তু এরকম বলা হলে সেটা নিন্দনীয়। আপনার কাজ সরকারের সমালোচনা করা না। আপনি বৈজ্ঞানিক, আপনার স্থান গৌরবান্বিত করার। যেহেতু কংগ্রেস এখন খমতায় নেই, তাই আপনি এরকম বলতে পারেন না।”

ইসরোর বর্তমান চেয়ারম্যান কে. সিবন চন্দ্রযান-২ অভিযান নিয়ে বলেন, আমরা চাঁদের এমন এক যায়গায় অবতরণ করতে যাচ্ছি, যেটা এখনো বিশ্বের কাছে অজানা। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে আমাদের চন্দ্রযান-২ অবতরণ করবে, সারা বিশ্বের বিজ্ঞানীদের কাছে এই দক্ষিণ মেরু সম্পূর্ণ অজানা।

আরেকদিকে ভারত শুধু চন্দ্রযান-২ এর অভিযান সফল করেই চুপচাপ বসে থাকতে চাইছে না। এই মিশনের পর মহাকাশে শক্তি বৃদ্ধির জন্য ভারত নিজেদের স্পেস স্টেশন লঞ্চ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর আগেও নিজেদের সুপার পাওয়ার প্রমাণ করার জন্য মহাকাশে ‘মিশন শক্তি” অভিযান সফল করেছিল ভারত। ‘মিশন শক্তি” এর মাধ্যমে ভারত মহাকাশে থাকা নিজদের শত্রুদের অনায়াসে ধ্বংস করতে পারবে।