Press "Enter" to skip to content

ভিডিওঃ অখিলেশের সাথে চার বছর পর তেমনটাই হল, যেমন যোগীর সাথে করেছিল অখিলেশ সরকার

প্রয়াগরাজের এলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া সমাজবাদী পার্টির সভাপতি তথা উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদবকে বিমান বন্দরে আটকানো নিয়ে দেশের রাজনৈতিক হাওয়া চরম গরম। এলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসঙ্ঘ এর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাওয়া অখিলেশ যাদবকে পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার আশঙ্কা জাহির করে Chaudhary Charan Singh International Airport এ বিমানে ওঠার আগে আটকে দেওয়া হয়।

আর তারপর উত্তর প্রদেশ সমেত গোটা দেশের রাজনীতির আবহাওয়া গরম হয়ে যায়। নেতা আর কর্মীরা সোশ্যাল মিডিয়া থেকে সড়ক পর্যন্ত রাজনৈতিক তর্কা তর্কী শুরু করে দেয়। সেই ক্রমেই যোগ দেন আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মাননীয়া মমতা ব্যানার্জী।

উনি এই ঘটনাকে চরম দুঃখজনক ব্যাপার বলে বিজেপির উপরে গণতন্ত্র হত্যার অভিযোগ আনেন। কিন্তু এই মুখ্যমন্ত্রীই রাজ্যে বিজেপি নেতাদের সভা করতে দেননা, আর হেলিকপ্টার নামতে না দিয়ে সভা পন্ড করে দেন। তখন আবার ওনার গণতন্ত্রের কথা মনে পরেনা। আর সবথেকে বড় ব্যাপার হল, উনি রাজ্যে যতই স্বৈরাচারী কাজ করুক না কেন, সেটা ওনার কাছে গণতন্ত্র এবং সংবিধান মেনেই কাজ হয়।

তবে এরই মধ্যে আরেক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। শোনা যাচ্ছে ২০১৫ সালে উত্তরপ্রদেশের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদব। তখনকার গোরখপুরের সাংসদ এবং বর্তমান উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে এলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার জন্য রাস্তায় আটকে দিয়েছিল। আর এখন ২০১৯ এ যোগী সরকার সেই কাজের পুনরাবিত্তি ঘটিয়ে কার্জত প্রতিশোধ নিয়ে অখিলেশ যাদবের রাস্তা আটকে দিলো।

সোশ্যাল মিডিয়ায় সবাই লিখছে যে, ২০১৫ তে অখিলেশ সরকার যোগী আদিত্যনাথ কে এলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় যাওয়ার থেকে আটকে দিয়েছিল। আর চার বছর পর যোগী সরকার অখিলেশ কে আটকে দিলো। দেশের তামাম রাজনৈতিক দলও গুলো এক হয়ে যোগীর বিপক্ষে কথা বললেও, টুইটার আর ফেসবুকে যোগীর সমর্থনে প্রচুর মানুষ নেমে চার বছরের আগের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে।

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.