Press "Enter" to skip to content

সৌদি আরবে আটকানো যাচ্ছে না ভাগবত গীতার বিক্রি !! মাত্র ১৫ দিনে গড়ে উঠলো গীতা বিক্রির রেকর্ড।

হতে পারে আপনি ছোটোবেলায় আপনার মায়ের থেকে হারিয়ে গেছেন। কিন্তু আপনার জীবনের যেকোনো বয়সে যদি আপনার হারিয়ে যাওয়া মাকে ফিরে পান তাহলে উনার প্রতি আপনার সন্মান ও ভালোবাসা আসবেই। কারণ আত্মাকে কখনো আদালা করা যায় না, হৃৎস্পন্দনকে কখনো আদালা করা যায় না। ইসলামের উপত্তির আগে আরবের লোকজন পাগণ ও ইহুদি ছিলেন আর তারও আগে আরবের মানুষ হিন্দুই ছিলেন। আরবের প্রাচীন ইতিহাস তো এটাই। ইরাকেও ২০,০০০ বছর পুরানো ভগবান রাম ও হনুমানের আকৃতি পাহাড়ে পাওয়া গেছে। সম্প্রতি আরবের দেশগুলিতে ভাগবত গীতার প্রতি মানুষের আকর্ষণ এত বেড়ে চলেছে বিগত মাসে ভাগবত গীতার বিক্রি রেকর্ড তৈরি করে ফেলেছে। বিগত মাসে মাত্র ১৫ দিনে আরবি ভাষায় প্রকাশিত ভাগবত গীতার ১৫ লক্ষ কপি বিক্রি হয়েগেছে। আরব কোনো ধর্মনিরপেক্ষ দেশ নয়, আরব কট্টরপন্থী ইসলামিক দেশ যেখানে বহু কট্টরপন্থী সংগঠন আছে যারা অন্য ধর্মগন্থের সম্পুর্ন বিরোধী।

তা সত্ত্বেও আগুনের মতো ছড়িয়ে পড়ছে এবং আরবের মানুষ কিনে সনাতন ধর্মকে জানার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। এমন কট্টরপন্থী ইসলামিক দেশে মাত্র ১৫ দিনে ১৫ লক্ষ কপি গীতা বিক্রি হওয়া মুখের কথা নয়। আগত দিনে আরবে বড়ো ক্রান্তি শুরু হলে, পরিবর্তন দেখা যেতে শুরু হলে আশ্চর্য হওয়ার কিচ্ছু নেই। কারণ যারা আরবি ভাষায় কিনছেন তারা অবশ্যই তাদের হারিয়ে যাওয়া প্রাচীন ধর্ম সম্পর্কে পড়বেন।

আর গীতা তো জ্ঞানের ভান্ডার, যিনি গীতাকে বুঝে নেন তিনি মনেপ্রাণে সনাতনীতে পরিণত হন। মনে করা হচ্ছে আরবে এই পরিবর্তনের সূত্রপাতের জন্য মুল কারণ হিন্দুভূমি ভারত। ভারতবর্ষের রাজনৈতিক কারণে বহুবছর ধরে হিন্দুত্ব প্রকাশিত হতে পারছিল না। এখন মোদীর মতো হিন্দুবাদী নেতা দেশের শাসন ক্ষমতা নিজের হাতে নেওয়ার পরিবর্তন দেখা যেতে শুরু করেছে। কংগ্রেস আমলে ভগবান রামকে কাল্পনিক বলে প্রচার করা হতো আর মোদী যুগে আমেরিকা পর্যন্ত ভগবান রামের অস্তিত স্বীকার করেছে।

দেখুন ভিডিও-

মোদী আমলে আরো একবার হিন্দুরা নিজেদের ধর্ম সম্পর্কে সচেতন হতে শুরু করেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিজে বহু দেশ গিয়ে সেখানের শক্তিশালী নেতাদের ভাগবত গীতা দান করে এসেছেন। যার প্রভাব পুরো বিশ্ব জুড়ে পড়তে শুরু করেছে। প্রসঙ্গত আপনাদের জানিয়ে দি, আরবের কিছু দেশ যার মধ্যে UAE সামিল রয়েছে সেখানে মন্দিরও তৈরি হতে শুরু করেছে। সেখানে ভাগবত তথা রামকথাও হচ্ছে, যেখানে ভারত থেকে যাওয়া শুধু হিন্দুরাই নয় আরবি মানুষেরাও যোগ দান করেছেন এবং ভজন শিখছেন।