in ,

দেশদ্রোহী শক্তিকে উপড়ে ফেলতে মোদী সরকারের এই মাস্টারপ্ল্যান জানলে আপনিও গর্বিত হবেন।

দেশের জওহরলাল নেহেরু ইউনিভার্সিটি বিগত কয়েক বছরে ধরে কিভাবে কট্টরপন্থী বিচারধারা নিয়ে দেশের ছবি খারাপ করছিল তা আর কারোর কাছে লুকিয়ে নেই। দেশের জনগণ সেই ছবি দেখেছে যে কিভাবে নকশালী, জিহাদি ও ভারতবিরোধী মানসিকতার ছাত্রছাত্রী JNU বিশ্ববিদ্যালয় জনগণের ট্যাক্সের টাকায় পড়াশোনা করে। JNU তে ড্রাগস এর ধান্দা সাধারণ ব্যাপার ছিল কিন্তু এরপর JNU যা রূপ নিয়েছিল তা যেকোন দেশভক্তের বুকে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল। আসলে বিগত কয়েক বছরে JNU এর মধ্যে ভারত তেরে টুকরে হঙ্গে, আজাদী চাওয়া গ্যাং, জঙ্গি আফজল গুরুর সমর্থনে খোলাখুলি শ্লোগান, পাকিস্থান জিন্দাবাদ ও isis এর পোস্টার লাগানোর মতো দেশদ্রোহী কাজ লাগাতার মিডিয়ার মাধ্যমে দেশবাসীর চোখে আসতে শুরু করে।

আপনাদের জানিয়ে দি এটা হটাৎ করেই শুরু হয়ে যায়নি। এই দেশদ্রোহী শক্তি বহু বছর ধরে দেশের ভেতরে লুকিয়ে নিজের এজেন্ডা চালিয়ে এসেছে। ড্রাগসের মতো নেশায় যুবসমাজকে মতিভ্রম করে তাদের মধ্যে দেশবিরোধী মানসিকতা ঢুকিয়ে দেওয়া- এটা খুব পুরানো, সহজ ও কার্যকরী পদ্ধতি। আর এই পদ্ধতিকে ব্যাবহার করেই বহু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে এই দেশবিরোধী মানসিকতা ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং দেশবিরোধী এই শক্তি আমাদেরই যুবসমাজকে দেশের বিরুদ্ধে কাজে লাগিয়ে রাষ্ট্রকে খোলসা করার কাজ করে আসছে। কিন্তু এখন দেশভক্ত নামক স্প্রে ছড়ানোর সাথে সাথে এই শক্তি আরশোলার মতো ছত্রভঙ্গ হয়ে এদিক ওদিক করতে শুরু করে দিয়েছে।

এই দেশদ্রোহীদের ছত্রভঙ্গ করার দায়িত্ব যিনি নিয়েছেন তিনি হলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। হ্যাঁ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর একটা পদক্ষেপে পুরো দেশকে বদলে দিচ্ছে। ভারত বিরোধিতা করা ছাত্রছাত্রীরা এবার দেশকে সন্মান জানতে বাধ্য হয়ে পড়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এমন কিছু কাজ করেছেন যে বিগত ৬০ বছর ধরে হয়নি। বিদ্যা বীরতা অভিযানের মাধ্যমে JNU প্রাঙ্গনে WALL OF HEROES প্রতিস্থাপন করা প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হয়েছে। এর জন্য বিশ্ব বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গনে ১৫/২০ ফুটের শৌর্য দেয়ালের উদঘাটন করা হয়েছে।

এই দেয়ালে ছবি সহ ২১ পরমবীর বিজেতাদের চক্র লাগানো হয়েছে। যে JNU তে দেশকে গালি দেওয়া সামান্য ও তুচ্ছ ব্যাপার ছিল সেই বিশ্ববিদ্যালয়ে এবার দেশের বীর শহিদদের প্রনাম ও শ্রদ্ধা জানানো এবার পরম্পরায় পরিণত হতে শুরু করেছে। উল্লেখ্যভাবেই এবার JNU তে একটু হলেও পরিবর্তন লক্ষ করা যেতে শুরু হয়েছে। এখন নিয়মিত JNU ক্যাম্পাসে ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকরা প্রথমে এসেই বীর সাহসী শহীদদের প্রমান ও শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করছেন যার মাধ্যমে তাদের মধ্যে দেশের প্রতি ভক্তি আরো ফুটে উঠছে। ছাত্রছাত্রীরা নিয়মিত বলিদানিদের শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের সময় তাদের প্রত্যেকের নাম এবং তারা কোথায় কিভাবে শহীদ হয়েছিলেন তার বিশদ তথ্যে পড়েন যা শোর্য দেয়ালের মধ্যেই লেখা থাকে। আপনাদের জানিয়ে দি কেন্দ্র সরকারের এই সিধান্ত এর চরম বিরোধ করেছিল বামপন্থী ও তথাকথিত সেকুলারবাদীরা।

মোদী সরকার দেশদ্রোহীদের কোনো তোয়াক্কা না করেই ওয়াল অফ হিরোস এর প্রতিষ্ঠা করেছে। স্পষ্টতই এটা কোন ছোট ব্যাপার নয়, এটা অতি প্রশংসার বিষয়। উল্লেখ্য, মোদী সরকার ঠিক করেছে পরমবীর চক্র পাওয়া শহীদের স্মরণে এই দেওয়াল দেশের প্রত্যেক কলেজে ও ইউনিভার্সিটিতে তৈরি করা হবে। জানলে অবাক হবেন এরা আগেও বামপন্থী সংগঠন JNU ক্যাম্পাসে জাতীয় পতাকা লাগানোর বিরোধিতা করেছিল। এছাড়াও ছাত্রদের মধ্যে দেশভক্তি জাগানোর জন্য সেনাদের পুরানো ট্যাঙ্ককে সরকার ক্যাম্পাসে রাখতে চেয়েছিল কিন্তু সেক্ষেত্রেও বামপন্থীরা বিরোধে নেমেছিল। এমনি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭৫ শতাংশ উপস্থিতিরও বিরোধ করেছিল বামপন্থীরা মানসিকতার ছাত্রছাত্রীরা।

এই সকল বিরোধিতায় এদের সাহায্য করেন বামপন্থী শিক্ষকরা। এমনি ছাত্রদের মধ্যে নকশালী ও দেশ বিরোধী চিন্তাভাবনা ঢুকিয়ে দেওয়ার পেছনেও এই তথাকথিত সেকুলার ও বামপন্থীদের হাত রয়েছে। শিক্ষকরা বীর ভগত সিং এর জায়গায় লেনিন ও এস্টারলিন এর অনুপ্রেরণা ছাত্রদের মধ্যে ঢুকিয়ে দেয়। এখন এবার যে নতুন ছাত্রছাত্রী কলেজে আসবে তারা বামপন্থীদের নোংরা ষড়যন্ত্রে পা না দিয়ে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে দেশভক্তে পরিণত হবে। এটাকেই বলা হয় সোজাসুজি শিকড়ে আঘাত করা।

অর্থিক ও সামরিক দিক থেকে মজবুত হওয়ার সাথে এবার মহাকাশ ক্ষেত্রেও শ্রেষ্ঠতা প্রদর্শন করছে ভারতের বিজ্ঞানীরা।

অনেক তো গুজব শুনলেন শেয়ার করলেন!এবার জানুন আসল সত্য। কেরালা বন্যায় কোন সেলিব্রেটি কত সাহায্য করলেন।