Press "Enter" to skip to content

আবার কংগ্রেসের মিথ্যের পর্দাফাঁস, দেখে নিন পুলওয়ামা হামলার দিন কি করছিলেন প্রধানমন্ত্রী

নরেন্দ্র মোদীর উপর মিথ্যে অভিযোগ এনে বলে, পুলওয়ামা হামলার দিন প্রধানমন্ত্রী নৌকা বিহার এবং শুটিংয়ে ব্যাস্ত ছিলেন। আপনাদের কাছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ওই দিনের পুরো তথ্য তুলে ধরছি। আপনারাই বুঝতে পারবেন উনি ওইদিন কিসে ব্যাস্ত ছিল।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ১৪ই ফেব্রুয়ারি সকাল সাতটা নাগাদ দিল্লি থেকে দেহরাদুন জান। দেহরাদুনে পৌঁছে খারাপ আবহাওয়া থাকার কারণে বিমান উড়তে পারেনি, আর সেই জন্য উনি সেখানে চার ঘণ্টা আটকে থাকেন। সকাল সোয়া এগারোটা নাগাদ উনি জিম কর্বেট ন্যাশানাল পার্কে জান। সেখানে উনি তিন ঘন্টা ছিলেন, উনি সেখানে টাইগার সাফারি, ইকো ট্যুরিজম আর রেস্কিউ সেন্টারের উদ্বোধন করেন।

প্রধানমন্ত্রী টিকালা যাওয়ার জন্য লালগড় থেকে মোটরবোটে ওঠেন। টিকালা পৌঁছে উনি জঙ্গলের সফর করেন। প্রধানমন্ত্রী দুপুর তিনটে নাগাদ রুদ্রপুরের জনসভায় অংশ নিতেন, কিন্তু খারাপ আবহাওয়ার জন্য ওই সভা স্থগিত করা হয়। পরে তিনি ওই সভা ফোনের মাধ্যমে সম্বোধিত করেন।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে পুলওয়ামা হামলার তথ্য প্রায় ২৫ মিনিট পরে পৌঁছায়। আর সেই জন্য উনি এনএসএ অজিত ডোভালকে ফোনে ক্ষোভ ও দেখান। প্রধানমন্ত্রী এরপর এনএসএ অজিত ডোভাল, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আর জম্মু কাশ্মীরের রাজ্যপালের সাথে কথা বলেন।

রামনগরে পৌঁছানর পর প্রধানমন্ত্রী নিয়ে অজিত ডোভাল, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আর জম্মু কাশ্মীরের রাজ্যপালের সাথে কথা বলেন, আর সেই সময় উনি একটি দানাও মুখে নিয়েছিলেন না। আবহাওয়া খারাপ থাকার জন্য হেলিকপ্টার ওড়ানো সম্ভব ছিল না। আর এই জন্য উনি রামনগর থেকে উত্তরপ্রদেশের ব্যারেলি পর্যন্ত সড়ক পথে যাত্রা করেন।

কংগ্রেসের মুখপাত্র রণদিপ সুরজেওয়ালা বলেন, ‘তিনটে ১০ মিনিটে হামলার এসেছিল, পাঁচটা ১৫ মিনিটে কংগ্রেস রিঅ্যাকশন দিয়েছিল। কিন্তু মোদীজি কি করছিলেন?” উনি প্রধানমন্ত্রীর উপর মিথ্যে অভিযোগ এনে বলেন সেদিন ওই সময় প্রধানমন্ত্রী শুটিংয়ে ব্যাস্ত ছিলেন।

কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর উপর ওনার এই লাগানো অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যে। আর সবথেকে বড় ব্যাপার হল কংগ্রেস ক্ষমতায় নেই ওদের কোন কাজও নেই যে তাঁদের জন্য তাঁরা ব্যস্ত থাকবে। তাহলে ওদের এই হামলা নিয়ে রিঅ্যাকশন দিতে দুই ঘন্টার উপরে লেগে গেলো কেন? আর প্রধানমন্ত্রী কোন বয়ান দিতে গেলে ওনাকে চারিদিক দেখে, পরিস্থিতি বুঝে দিতে হবে।

কারণ উনি শুধু বিজেপির নেতা না, উনি এই দেশের প্রধান। উনি দেশের ১৩০ কোটি মানুষের প্রধানমন্ত্রী। গোটা বিশ্ব ওনার প্রতিটি কথা শুনবে। তাই উনি পরিস্থিতি না বুঝে, জওয়ানদের খবর না নিয়ে। আগেই এসে মিডিয়ার সামনে কংগ্রেসের মত বয়ান দেবে?

9 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.